‘অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশই বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করা হবে’

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন
দেশে এখন
0

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশই বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত সংসদীয় বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদিন। আজ (বুধবার, ২৫ মার্চ) দুপুরে দ্বিতীয় দিনের বৈঠক শুরুর আগে সংসদ ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা জানান।

সব সংসদ সদস্যের কাছে অধ্যাদেশের কপি পাঠানো হয়েছে, যাচাই-বাছাইয়ে সময় লাগবে না বলেও মনে করেন তিনি।

গতকাল (মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ) প্রথম বৈঠকে প্রায় অর্ধেকের মতো অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করা হয়েছে। সংসদে দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী, ২ এপ্রিলের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেয়ার কথা।

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনের অধিবেশনেই এই বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। সেদিন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করেন। পরে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বরিশাল-৩ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদিনের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। কণ্ঠভোটে তা অনুমোদন পায়।

আরও পড়ুন:

বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদিন। কমিটির সদস্যরা হলেন, ঢাকা-৮ আসনের মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, কক্সবাজার-১ আসনের সালাহউদ্দিন আহমদ, বরগুনা-২ আসনের মো. নুরুল ইসলাম, ঝিনাইদহ-১ আসনের মো. আসাদুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের মুহাম্মদ ওসমান ফারুক, নোয়াখালী-১ আসনের এ এম মাহবুব উদ্দিন, জয়পুরহাট-২ আসনের মো. আব্দুল বারী, পঞ্চগড়-১ আসনের মুহাম্মদ নওশাদ জমির, নাটোর-১ আসনের ফারজানা শারমীন পুতুল, রাজশাহী-১ আসনের মো. মুজিবুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের রফিকুল ইসলাম খান এবং সাতক্ষীরা-৪ আসনের জি এম নজরুল ইসলাম।

সংসদীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী, নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে উত্থাপিত অধ্যাদেশগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাস না হলে সেগুলোর আইনি বৈধতা থাকে না। এ কারণেই এগুলো বিশেষ কমিটিতে পাঠিয়ে যাচাই-বাছাই শেষে সংসদে প্রতিবেদন দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, আগামী ২৯ মার্চ আবার সংসদ বসবে এবং ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে ১২ মার্চ। ওই দিন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন, রাষ্ট্রপতির ভাষণ, শোক প্রস্তাব এবং ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপনসহ একাধিক কার্যসূচি ছিলো।

এফএস