আজ (সোমবার, ২৭ জুলাই) বেলা ১১টায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে ‘কাপ্তাই লেকের মৎস্য আহরণ ও বাজারজাতকরণের অনুমতি প্রদান সংক্রান্ত সভা’য় এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আজকের সভার সর্বসম্মতিতে সিদ্ধান্ত হয়েছি যে, আগামী ১০ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত কাপ্তাই লেকে মাছ ধরা বন্ধ থাকবে এবং রাত ১২টার পর অর্থাৎ ১১ তারিখ থেকে পুনরায় মৎস্য আহরণ শুরু করতে পারবেন।’
সভায় রাঙামাটি মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এর ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ইশতিয়াক হায়দার, মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) কমান্ডার মো. ফয়েজ আল করিম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, মৎস্যজীবি সমিতি ও জেলে প্রতিনিধিসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন:
এর আগে, পানিস্বল্পতা ও প্রজনন মৌসুম শুরু হওয়ায় হ্রদে কার্প জাতীয় মাছের সুষ্ঠু প্রাকৃতিক প্রজনন ও বিকাশের স্বার্থে গেল ২৪ এপ্রিল থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম মিঠা পানির কৃত্রিম জলাশয় কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে জেলা প্রশাসন।
মূলত কার্প জাতীয় মাছের বংশবৃদ্ধি, হ্রদে অবমুক্ত করা পোনা মাছের বৃদ্ধি, মাছের পাকৃতিক পজনন নিশ্চিতকরণসহ হ্রদের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির সহায়ক হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতি বছর কাপ্তাই হ্রদে ১ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিন মাস মাছ শিকার বন্ধ রাখা হয়। হ্রদে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞাকালীন মৎস্য আহরণের ওপর নির্ভরশীল প্রায় ২৬ হাজার জেলেকে বিশেষ ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়ে থাকে।





