বৈঠকে দু’দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। তারা দু’দেশের জাতীয় উন্নয়নের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনগণ-কেন্দ্রিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে দ্বিপাক্ষিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আলোচনা করেন।
আলোচনায় জনস্বাস্থ্য, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, নারীর ক্ষমতায়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, ব্যবসা করার সহজীকরণ, প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতাসহ বিস্তৃত ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর আলোকপাত করেন তারা।
আরও পড়ুন:
হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারতের ভৌগোলিক অবস্থান দুই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। পাশাপাশি দুই দেশের মানুষের মধ্যে সংযোগ বাড়াতে সহায়ক হবে এবং সাংস্কৃতিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।’
হাইকমিশনার পারস্পরিক স্বার্থ এবং পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী পন্থায় বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের সাথে একত্রে কাজ করার ভারতের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।





