প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ বাংলা সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী উৎসব, যা কৃষক ভাই-বোনদের জীবনযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। এ কারণেই এই গুরুত্বপূর্ণ দিনটিকে কর্মসূচি উদ্বোধনের জন্য বেছে নেয়া হয়েছে।’
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ১১টি উপজেলায় প্রায় ২২ হাজার কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আগামী ৫ বছরে দেশের ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের মধ্যে এ কার্ড বিতরণ করা হবে।
আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার জনগণের সরকার এবং নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নে কাজ করছে। কৃষকদের স্বাবলম্বী ও সচ্ছল করে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।’ তিনি উল্লেখ করেন, দেশের কৃষক ভালো থাকলে পুরো দেশই ভালো থাকবে।
এসময় তিনি জানান, কৃষি উন্নয়নের অংশ হিসেবে আগামী ৫ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, কৃষক কার্ড কর্মসূচি কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং কৃষি অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে।
তিনি বলেন, ‘কৃষিনির্ভর এলাকাগুলোতে কৃষি ব্যবস্থাপনা জোরদারের পাশাপাশি কৃষিজাত পণ্য ন্যায্যমূল্যে বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করবে সরকার। পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানি করার বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’





