আজ (রোববার, ২৬ এপ্রিল) আগারগাঁও ইউজিসি ভবনের অডিটোরিয়ামে বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবসের অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
প্রশ্নফাঁস প্রসঙ্গ টেনে সাংবাদিকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বলেন, ‘টেলিগ্রাম গ্রুপে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এগুলো আপনারা (সাংবাদিকরা) না করলেও পারতেন। সাংবাদিকদের দায়িত্ব রয়েছে, একটি নিউজ দেয়ার আগে সেটি ভেরিফাই করা।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা দায়িত্ব পালন করেন, আপনাদের কথায় আমরাও সচেতন হয়েছি। আমরাও দায়িত্ব পালন করছি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি এবং নেয়া হবে।’
এসময় গুজব না ছড়াতে সাংবাদিকদের আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সচেতন করে তিনি বলেন, ‘আমরা সুন্দর পরিবেশে, সুন্দরভাবে পরীক্ষা নেব। তাদের গুজবে কান না দিতে আহ্বান জানাচ্ছি।’
আরও পড়ুন:
সাংবাদিকরা যদি সচেতন হতো, তাহলে এমন ঘটনা ঘটতো না বলেও জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘পার্টিকুলারলি কাল কি একটি মিডিয়া এটি করেনি? এ মিডিয়ার কি দায়িত্ব ছিলো না খুঁজে দেখা, সত্যতা যাচাই করা?’
ফেসবুকের ওপর নির্ভরশীল না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘ফেসবুক ইন্সট্যান্ট কফির মতো, ইন্সট্যান্ট কনটেন্ট আসছে। সেখানে মন্তব্য করা হচ্ছে।’
গুজবের কারণে ছাত্ররা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে ব্যাপারে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে বলেও জানান তিনি। সেই সঙ্গে এ ধরনের গুজবে সরকার বিব্রত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এসএসসি পরীক্ষার নিয়ে সবাই সন্তুষ্ট জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সন্তুষ্ট, অভিভাবক সন্তুষ্ট আমরাও সন্তুষ্ট। সামনের দিনে আমরা সুন্দরভাবে পরীক্ষা শেষ করতে চাই।’
পরীক্ষার্থীদের যে গ্যাপ সেটি আস্তে আস্তে কমিয়ে আনবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি ডিসেম্বর হলো পরীক্ষার মাস, জানুয়ারি থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হবে। সময় নষ্ট রোধ করতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’





