আজ (রোববার, ৩ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নির্বাচনের স্বচ্ছতা, প্রশাসনের জবাবদিহি ও রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন দিক নিয়ে দিকনির্দেশনা দেন তারেক রহমান।
ডিসিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনপ্রশাসনের যেকোনো পদে কাজ করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা উচিত। এ প্রস্তুতি থাকলে জনসেবার মান বাড়বে। ডিসিরাই জনগণের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক রক্ষা করেন, তাই সরকারও তাদের ওপর নির্ভরশীল।’
এছাড়া বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বন্যা ও খরা থেকে দেশকে রক্ষায় ডিসিদের ভূমিকা রাখতে বলেছেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ‘শুধু পদোন্নতি বা স্বার্থের জন্য পেশাদারত্বের সঙ্গে আপস করলে সাময়িকভাবে লাভবান হওয়া গেলেও সার্বিকভাবে তা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর। এ ধরনের ঘটনা জনপ্রশাসনকে দুর্নীতির দিকে ঠেলে দেয় এবং তাদের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।’
আরও পড়ুন
এর আগে, শনিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হুমায়ুন কবির জানান, এবার চার দিনব্যাপী এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সম্মেলনে মোট অধিবেশন থাকছে ৩৪টি। এর মধ্যে কার্য অধিবেশন ৩০টি এবং অংশগ্রহণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সংখ্যা হচ্ছে ৫৬টি।
সম্মেলনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের ৪৯৮টি প্রস্তাব উত্থাপিত হচ্ছে এবং সারা দেশের জেলা প্রশাসকগণ উপস্থিত থাকছেন। ৫৬টি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী সম্মেলনে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন।
হুমায়ুন কবির জানান, সম্মেলনে প্রধান আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা, স্থানীয় সরকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা, ই-গভর্নেন্স, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা, পরিবেশ সংরক্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিবীক্ষণ।





