কোরবানিতে পশুর সংকট হবে না: কৃষিমন্ত্রী

ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন
দেশে এখন
1

ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। আজ (সোমবার, ৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে তিনি একথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘হাওরের কৃষকদের আগামী তিন মাসে সাড়ে সাত হাজার করে টাকা দেয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর সংকট হবে না।’

আর কোরবানির পশু চামড়া নষ্ট রোধে ডিসিদের নির্দেশ দেয়ার কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, ‘আগামী কোরবানির ঈদে কোনো চামড়া যেন নষ্ট না হয় সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নিচ্ছি। এ বিষয়ে ডিসিদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সরকারি খরচে লবণ দেয়া হবে যাতে চামড়া নষ্ট না হয়। চামড়া সংরক্ষণের জন্য সরকার থেকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবো।’

আরও পড়ুন:

তিনি বলেন, ‘বন্ধ শিল্প কল-কারখানাগুলো কীভাবে চালু করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় তদারকি করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমদানি থেকে বিক্রয় পর্যন্ত এআই জেনারেটেড মডেলের মধ্যে নিয়ে আসতে যাচ্ছি। স্টোরেজ তৈরি, সমন্বিত বাজার ব্যবস্থাপনার জন্য বলা হয়েছে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘২৫টি পাটকল ও ২৫টি বস্ত্রকল চলতি বছরেই বেসরকারি খাতে চালুর জন্য হস্তান্তর করা হবে। উৎপাদন থেকে বাজারজাত পর্যন্ত সব এআই জেনারেটেড এর মাধ্যমে করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।’

এর আগে সকালে দিনের প্রথম সেশনে যোগ দিয়ে বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী জানান, দ্রুতই দেশের আটটি অব্যবহৃত বিমানবন্দর চালু করা হবে।

আরও পড়ুন:

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘কক্সবাজারে তিন থেকে চার মাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হবে। পর্যটনের উন্নয়নে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ অনুসরণ করার কথা ভাবা হচ্ছে। অব্যবহৃত বিমানবন্দরের মধ্যে বগুড়া, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দরকে প্রাধান্য দিয়ে অন্যান্য বিমানবন্দর দ্রুত চালুর চেষ্টা করছে সরকার।’

এসময় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জানান, ডিসিদের পক্ষ থেকে সরকারের প্রকল্পগুলোকে কার্যকর করতে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগকে জেলা পর্যায়ে স্থাপনের প্রস্তাব এসেছে।

অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ের সরকারের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, কার্যকর প্রশাসন কীভাবে করা যায় তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকার একটি কৌশলগত ফ্রেমওয়ার্ক করছে যাতে বিপর্যস্ত অর্থনৈতিক কাঠামোকে পুনরুদ্ধার করে সমৃদ্ধি পথে যাওয়া যায়।’

আরও পড়ুন:

তিনি বলেন, ‘সরকারের চলমান প্রকল্পগুলো ও নতুন প্রকল্পগুলোকে নির্বাচনি ইশতেহারের সঙ্গে মিল রেখে করা হচ্ছে। প্রকল্পগুলোর ফিডব্যাকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে, কর্মসংস্থানকে বিবেচনায় নিয়ে নতুন প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। সরকারের প্রকল্পগুলোকে আরও কার্যকর করতে আইএমইডির অফিস সরকারকে জেলা পর্যায়ে নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ডিসিরা।’

জেলাগুলোর বিভিন্ন নিদর্শন, পুরাকীর্তি, গ্রন্থাগারগুলোর অর্থায়ন ও সংস্কার দিকে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে বলে জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী।

এদিন সড়ক, নৌ, শিল্প, বাণিজ্য, কৃষি, অর্থ, বিমানসহ ১০টি মন্ত্রণালয় ও ৯টি বিভাগের মন্ত্রী ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনাররা।

এসএস