আজ (সোমবার, ২৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘অর্থবছর জুলাই থেকে জুন হবার সুবাদে শুধু বিলের হিসাবে কাজ শেষ হয়। ক্যালেন্ডার ইয়ারের হিসাবে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে রাখা উচিত।’ এছাড়া অর্থবছর শেষ হবার অন্তত ৩ মাস আগে সম্পূরক বাজেট আসা দরকার বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘এত অল্প সময়ে বাজেট দেয়া কঠিন ছিল অর্থমন্ত্রীর জন্য। তবে মন্ত্রী ও তার টিম সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। বাজেটের প্রস্তাবে অনেক সংশোধনের দাবি ছিল। কিছু গ্রহণ হলে দেশের গণতন্ত্র চর্চায় নতুন অধ্যায় যোগ হতো।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনার কোনো গাইডলাইন নেই। পাচারকৃত অর্থের নয় ভাগের এক ভাগ অর্থ ফেরত আসলে বাজেটে ঘাটতি থাকবে না।’ এছাড়া, রাজস্ব নিয়ে ব্যবসায়ীদের আস্থায় আনার আহ্বান জানান তিনি। বিপদে সরকার তাদের পাশে দাঁড়ালে দেশের প্রয়োজনে বেশি কর দেবেন। খুব অল্প সংখ্যক ব্যবসায়ী অসৎ, অনেক ব্যবসায়ীকে অসৎ হতে বাধ্য করা হয়।
বিরোধীদলের নেতা আরও বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি রিসার্চ বেসড না হয়, তাহলে চিরজীবনই আমরা একটা আমদানি নির্ভর জাতি হিসেবে থেকে যাবো। যে সমস্ত ক্যাপিটাল মেশিনারী, লজিস্টিক এবং আমাদের প্রয়োজনীয় পণ্য বিদেশ থেকে আমদানি করে থাকি, তাকে আমদানিই করতে থাকবো আর শুধু খুঁজতে থাকবো যে, কোন দেশ থেকে ভালো আমদানি করা যাবে।’
এছাড়া শুধু খেতাবপ্রাপ্ত না, সব মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশ করেন বিরোধীদলের নেতা।





