এ রুটে বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
আজ (রোববার, ১২ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘খুব শিগগিরই ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।’
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম বলেন, খুব শিগগিরই ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা শিগগিরই দেয়া হবে।
তিনি জানান, বর্তমানে এ রুটে সীমিত সংখ্যক এয়ারলাইন্স ফ্লাইট পরিচালনা করছে। নতুন করে ইউএস-বাংলা যুক্ত হলে প্রতিযোগিতা বাড়বে, যা যাত্রীদের জন্য ভাড়া কমানো, সময়সূচিতে বৈচিত্র্য এবং উন্নত সেবার সুযোগ সৃষ্টি করবে।
আরও পড়ুন:
বিশেষ করে নেপালগামী পর্যটক, ব্যবসায়ী ও ধর্মীয় ভ্রমণকারীরা বাড়তি বিকল্প পাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিমান পরিবহন খাতের বিশ্লেষকদের মতে, এ রুটে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পেলে শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন যাত্রীরাই।
২০১৮ সালের ১২ মার্চ কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিএস-২১১ বিধ্বস্ত হওয়ার পর এই রুটে সংস্থাটির ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ হয়ে যায়।
ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া বোম্বার্ডিয়ার ড্যাশ-৮ কিউ৪০০ উড়োজাহাজটি অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে চার ক্রুসহ ৭১ আরোহীর মধ্যে ৫১ জন নিহত হন। বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচলের ইতিহাসে এটি অন্যতম ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত।





