পুলিশ ও পরিবার সূত্র জানিয়েছে, শিশুটি প্রতিদিনের মতো বাড়ির পাশের একটি মসজিদের মক্তবে পড়তে যায়। পড়া শেষে প্রবল বৃষ্টির কারণে সে মক্তবেই অবস্থান করছিল।
এ সময় অভিযুক্ত রিফাত তার বোনকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে পুনরায় মক্তবে এসে শিশুটিকে ছাতার অজুহাতে পাশের একটি জরাজীর্ণ ঘরে নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন:
পরে শিশুটির কান্নার শব্দ শুনে পথচারী এক ব্যক্তি ঘটনাটি টের পেলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ধর্ষণের শিকার শিশুটির দাদা কামির জানান, তার নাতনি ছোটবেলা থেকেই নানাবাড়িতে বড় হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে তারা বিচার চেয়ে থানায় এসেছেন।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, ‘এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’





