আজ (বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলে জুলাই শহিদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য শহিদরা যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, সেই গণতন্ত্র যাতে কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে আমাদের লক্ষ্য রয়েছে। দেশের স্বার্থে সকলকেই ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের কাজ করতে হবে, এটি আজকের দিনে আমাদের অঙ্গীকার।’
তিনি বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে শহিদ আবু সাইদ, মুগ্ধ, টাঙ্গাইলের মারুফসহ যারা অভ্যুত্থানে শহিদ হয়েছেন, তাদের স্মরণ ও আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। এছাড়াও ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে আহতদের সুস্থতা কামনা করি।’
আরও পড়ুন:
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় শহরের ডিস্ট্রিক্ট গেট সংলগ্ন জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এসময় শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, সিভিল সার্জন ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, গণসংহতি আন্দোলনের সভাপতি ফাতেমা রহমান বীথি, শহিদ মারুফের মা মোর্শেদা বেগম এবং বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছাত্র সমন্বয়ক আল আমিন প্রমুখ।
আলোচনায় সভায় জুলাই শহিদ হত্যার বিচার, আহত জুলাইদের কর্মসংস্থানের দাবিও করেন বক্তারা। অপর দিকে জুলাই আন্দোলনের মামলার দ্রুত চার্জশীট দেয়ার দাবি করেন স্বজনরা। এছাড়াও জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের আওয়ামী লীগের কর্মীরা নানাভাবে কটূক্তি করছেন বলেও উল্লেখ করেন বক্তারা।





