নাজমুল তারেকের আইনজীবী আব্দুর রহিম কাজল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে করা মামলার রায়ে আদালত তাকে পুনরায় চাকরিতে বহাল করার নির্দেশ দিয়েছেন।
২০২২ সালের ২ এপ্রিল রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়। ওই সময় নাজমুল তারেক ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) প্রটেকশন বিভাগে কর্মরত ছিলেন।
অভিযোগ ওঠে, উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় তেজগাঁও কলেজের থিয়েটার অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক লতা সমাদ্দারের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। পরে লতা সমাদ্দার অভিযোগ করেন, পুলিশ পোশাক পরা এক ব্যক্তি তাকে ‘টিপ পরছোস কেন’ বলে কটূক্তি করেন।
আরও পড়ুন:
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে তদন্তের পর নাজমুল তারেককে প্রথমে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরপর বিভাগীয় প্রক্রিয়া শেষে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
চাকরি হারানোর পর থেকেই নাজমুল তারেক দাবি করে আসছিলেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন। তার দাবি ছিলো, তিনি টিপ নিয়ে কোনো ধরনের কটূক্তি করেননি এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো প্রমাণ নেই।
তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনাস্থলের পাশে থাকা এক দোকানদারও বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেছিলেন এবং তার বক্তব্য ছিলো, নাজমুল টিপ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
পরে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে ২০২২ সালের নভেম্বরে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন নাজমুল তারেক। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের আদেশ দেন।





