এসময় তিনি আরও মন্তব্য করে বলেন, ‘দেশের কৃষকদের কাছে সঠিক বাজার তথ্য না থাকায় অনেক সময় প্রয়োজনের তুলনায় বেশি উৎপাদন হয়, আবার চাহিদা কম থাকায় তারা ন্যায্য দাম থেকেও বঞ্চিত হন।’
তিনি বলেন, ‘উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পণ্য পৌঁছানোর পথে নানা অদৃশ্য ব্যয় ও দীর্ঘ সরবরাহ ব্যবস্থার কারণেই বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ছে।’
‘মূল্যস্ফীতি পেইন সবার জন্যই, কৃষিসহ কয়েকটি পণ্যে উৎপাদন থেকে সরবরাহে চাঁদাবাজিসহ আরও অদৃশ্য কিছু খরচ নিয়ন্ত্রণে নজরদারি বাড়ানো হবে’ মন্তব্য করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
এদিকে, সিপিডির গবেষকরা জানান, উৎপাদন পর্যায় থেকে ভোক্তার হাতে পৌঁছাতে কোনো কোনো খাদ্যপণ্যের দাম প্রায় দ্বিগুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। একাধিক মধ্যস্বত্বভোগীর কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় মূল্য বৃদ্ধি পায় সবচেয়ে বেশি। বিশেষ করে ধান থেকে চাল উৎপাদনের ক্ষেত্রে ব্যাপারী ও মিলার পর্যায়েই দামের ব্যবধান সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
তাই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় রাখতে সরবরাহ ব্যবস্থা সংক্ষিপ্ত করা এবং কৃষক থেকে ভোক্তার মধ্যে অপ্রয়োজনীয় মধ্যস্বত্বভোগী কমানোর ওপর গুরুত্ব দেন বক্তারা।





