আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এম/এস এস.বি ট্রেডার্সের একটি চালানে ঘোষণার তুলনায় ১ হাজার ৬২০ পিস বা প্রায় ৬০ শতাংশ অতিরিক্ত পোশাক পাওয়া গেছে।
গতকাল (রোববার, ২ আগস্ট) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিআইআইডির সদর দফতরের একটি বিশেষ দল গত ৩০ জুলাই বিল অব এন্ট্রি নম্বর সি-৭৬৫৪৮৫-এর আওতায় আমদানিকৃত চালানটি খালাসের আগে কায়িক পরীক্ষা করে।
এতে ঘোষণাপত্রে উল্লেখিত ২ হাজার ৬৯৯ পিস পণ্যের পরিবর্তে মোট ৪ হাজার ৩১৯ পিস পোশাক পাওয়া যায়। অর্থাৎ ঘোষণার তুলনায় অতিরিক্ত ১ হাজার ৬২০ পিস বা ৬০ দশমিক ২ শতাংশ বেশি পণ্য আমদানির চেষ্টা করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
কায়িক পরীক্ষায় বিভিন্ন ধরনের পোশাকের ঘোষণায় বড় ধরনের অসঙ্গতি ধরা পড়ে। ঘোষিত লেহেঙ্গা, শাড়ি, গার্লস ওয়্যার সেট, শেরওয়ানি ও টি-শার্টের তুলনায় অনেক বেশি পণ্য পাওয়া যায়। আবার ঘোষিত গাউনের একটি অংশের পরিবর্তে অন্য ধরনের লেহেঙ্গা পাওয়া যায়, যা ঘোষণার সঙ্গে স্পষ্ট অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
সিআইআইডি জানায়, এ অভিযানে ৩১ লাখ ৭১ হাজার ১৬৯ টাকার শুল্ক-কর ফাঁকির অপচেষ্টা প্রতিরোধ করা হয়েছে। একই পরিমাণ বিমোচন জরিমানা বিবেচনায় সরকারের মোট আদায়যোগ্য অর্থের পরিমাণ প্রায় ৬০ লাখ টাকা।
ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে বিস্তারিত প্রতিবেদন ঢাকা কাস্টম হাউসে পাঠানো হয়েছে। সিআইআইডি জানিয়েছে, রাজস্ব সুরক্ষা এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য আমদানি ও শুল্ক-কর ফাঁকির বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।





