বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দিবসটি ঘিরে যেকোনো ধরনের নাশকতা, অপ্রীতিকর ঘটনা বা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা মোকাবিলায় রাজধানীজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
নিরাপত্তার অংশ হিসেবে মহানগরের বিভিন্ন স্থানে পিকেট ও চেকপোস্ট ডিউটি বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে তল্লাশি কার্যক্রম ও চেকপোস্ট জোরদার থাকবে।
এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও অনুষ্ঠানস্থলে ডিবি ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) সদস্যরা সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করবেন। জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে বিশেষ তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
ডিএমপি জানিয়েছে, সব অনুষ্ঠানস্থল এবং জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ এলাকাকে বিশেষ নিরাপত্তার আওতায় আনা হয়েছে। এসব এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি করা হবে। পাশাপাশি সিটিএসবি ও আইইডির গোয়েন্দা কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে।
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত সংখ্যক কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ডিএমপির অতিরিক্ত ফোর্সের পাশাপাশি র্যাব ও সিআইডি সদস্যরাও মহানগরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে কাজ করবেন। সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা সরাসরি মাঠে থেকে দায়িত্ব তদারকি করবেন।





