অর্থমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের হাতে থাকা সব ধরনের উদ্যোগ নেয়া হলেও এর সমাধান হবে ধীরগতিতে। একইসঙ্গে অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন সরকার।
আমির খসরু জানান, জ্বালানি সংকট এখন পুরোপুরি সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই। তবে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
এসময় তিনি বলেন, বিনিয়োগ ছাড়া অর্থনীতির বর্তমান সংকট থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ নেই। তাই দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে।
সেমিনারে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান দেশের ঋণ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকারের নতুন কৌশল নির্ধারণের পাশাপাশি বাজেট ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
ডিসিসিআই সভাপতি তাসকিন আহমেদ বলেন, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদ, জ্বালানি সংকট এবং জমি অধিগ্রহণের জটিলতার কারণে দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এদিকে রপ্তানি খাতকে আরও বিকেন্দ্রীকরণের পরামর্শ দিয়েছেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট পিআরআই চেয়ারম্যান ড. জায়েদি সাত্তার। তিনি বলেন, রপ্তানিকে কয়েকটি নির্দিষ্ট খাত ও অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নতুন খাত ও গন্তব্যে সম্প্রসারণ করতে হবে।
ব্যবসায়ীদের কর দিতে গিয়ে নিয়মিত হয়রানির শিকার হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে এটিকে হয়রানি ট্যাক্স হিসেবে উল্লেখ করেন ব্র্যাকের চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। ব্যবসার পরিবেশ সহজ করতে এই ধরনের হয়রানি কমানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



