‘সার্বভৌমত্ব ও সামরিক সক্ষমতা বিবেচনায় মক্কা চুক্তির দিকে এগোতে হবে’

‘ভয়েস ফর রিফর্ম’ আয়োজিত আলোচনা সভা
দেশে এখন
0

দেশের সার্বভৌমত্ব ও সামরিক সক্ষমতার বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। চুক্তিতে যাওয়ার আগে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক কূটনৈতিক সমীকরণও সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

‘ভয়েস ফর রিফর্ম’ আয়োজিত ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদান: কৌশলগত জাতীয় নিরাপত্তার হিসাব-নিকাশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় আজ (সোমবার, ৩১ আগস্ট) বক্তারা এসব কথা বলেন।

আলোচনায় বাংলাদেশের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক শাহাব এনাম খান। তিনি বলেন, ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিজস্ব সামরিক সক্ষমতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।’

সাবেক মার্কিন কূটনীতিক জন এফ ড্যানিলোউইজ বলেন, ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি কিংবা এতে থাকা তিন দেশকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি কোনো সমস্যা নেই। তবে এ চুক্তির প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।’ একই সঙ্গে ইসরাইলের নিরাপত্তা নিয়েও ওয়াশিংটনের উদ্বেগ রয়েছে বলে জানান তিনি।

আলোচনায় প্রতিরক্ষা খাত, সামরিক সক্ষমতা ও জ্বালানি নিরাপত্তার পাশাপাশি চুক্তিকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন।

বক্তারা বলেন, যেকোনো প্রতিরক্ষা চুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নিজস্ব স্বার্থ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে। ভবিষ্যতে দেশের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে নিজস্ব উদ্যোগে নেয়া পদক্ষেপে চুক্তিভুক্ত কোনো দেশ যাতে হস্তক্ষেপ করতে না পারে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে।

এএইচ