ওই কর্মকর্তার বরাতে দ্য হিন্দু্র প্রতিবেদনে তুলে ধরে, ভারতের আমন্ত্রণে ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমান যোগ না দিলেও এর অর্থ এই নয় যে, তিনি দেশটিকে এড়িয়ে চলতে চান। বরং দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সর্বোচ্চ পর্যায়ে সংলাপ করতে তিনি আগ্রহী।
সংবাদমাধ্যমটির দাবি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাব্য সময় নভেম্বর অথবা ডিসেম্বরের শুরু। কারণ, ১৯৯৬ সালে সই হওয়া গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ শেষ হবে। সময়মতো চুক্তিটি নবায়ন না হলে দুই দেশের সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছে ঢাকা—এমন মত ওই কূটনৈতিক কর্মকর্তার।
তবে শুধু গঙ্গার পানি চুক্তি নয়, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অন্য অমীমাংসিত বিষয়েও অগ্রগতি চায় বাংলাদেশ—প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। বলা হচ্ছে, পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম চালু, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আরোপ করা বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ প্রত্যাহার, স্থলবন্দর ব্যবহার এবং পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনরায় চালুর বিষয়গুলো আলোচনায় আসতে পারে বলে জানিয়েছে ওই কূটনৈতিক কর্মকর্তা।
আরও পড়ুন:
দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে কূটনৈতিক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশের চলমান জ্বালানি সংকটেও ভারতের সহযোগিতা চায় ঢাকা। জ্বালানি সরবরাহে ভারত সহায়তা করলে তা দুই দেশের মধ্যে আস্থা তৈরিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের এজেন্ডা তৈরিতে দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে আরও আলোচনা প্রয়োজন বলে জানান ওই কর্মকর্তা। তারেক রহমানের সফর এমনভাবে আয়োজন করতে চায় ঢাকা, যাতে সেখান থেকে উল্লেখযোগ্য অর্জন নিয়ে দেশে ফিরতে পারেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানের মতো রাজনৈতিক বিষয়গুলো থেকে বাণিজ্যিক ও কনস্যুলার বিষয়গুলোকে আলাদা করে দেখছে বাংলাদেশ বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
এদিকে, ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গেও তিনি সাক্ষাৎ করেছেন।




