ইশরাক হোসেন বলেন, ‘জমি দখল বা চাঁদা তুলতে যাই নাই, মাদক নির্মূলের জন্য গিয়েছিলাম। আন্তর্জাতিক সিন্ডিকেটের সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রকদের যোগসাজশ আছে।’
তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমি পদত্যাগ করতে চাই। যাতে মাদক নির্মূলের অভিযানে আমাদের দল (বিএনপি) বিব্রত না হয়।’
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘পুলিশ বাহিনী যেহেতু ইকুইপ্ট নয়; সুতরাং পুলিশ ও এলাকাবাসীদের সঙ্গে নিয়ে মাদক নির্মূলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। থানাকে জানিয়ে ঘুন্টিঘর এলাকায় মাদক নির্মূলের অভিযানে গিয়েছিলাম। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে আমি ব্যক্তিগত লাইসেন্স করা অস্ত্র হাতে রেখেছিলাম।’
তিনি বলেন, ‘পুলিশ বাহিনী ঘুন্টিঘর এলাকায় যেতে সাহস পান না, কারণ ওরা ওপর থেকে গুলি করে। গেন্ডারিয়ার ঘুন্টিঘর এলাকায় স্কুল কলেজে শিক্ষার্থীদের মাঝে মাদক ঢুকিয়ে দেয়া হচ্ছিলো। এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে মাদকের হাব ধ্বংস করতে গিয়েছিলাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ীদের হাতে অর্থ ও অস্ত্র থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা মুখ খোলে না। মাদকের কুখ্যাত আখরা ঘুন্টিঘর মুন্সিরটেক এলাকা মাদকের আখরা। মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে করা অভিযানের দৃষ্টি নানা ধরনের ন্যারেটিভ তৈরি করে ঘুরিয়ে দেয়া হয়েছে।’
বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘এক থেকে দুইটা জেনারেশনকে পরিকল্পিতভাবে পাশের দেশের মানুষরা ধংস করে দিতে চাচ্ছে। যাতে দেশ মাথা তুলে দাড়াতে না পারে।’





