আজ (মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর) বিশ্ব অস্টিওপোরোসিস দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধবিষয়ক এক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে যোগ দিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘৬৪ জেলায় অস্টিওপোরোসিসের চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী কাজ করবে।’
এসময় তিনি আরও বলেন, ‘অস্টিওপোরোসিসকে শুধু বয়স্ক মানুষের রোগ হিসেবে না দেখে প্রতিরোধ ও সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।’
এসময় সচেতনতা বাড়ানো ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, অস্টিওপোরোসিস হলো এমন একটি শারীরিক অবস্থা বা রোগ যেখানে হাড়ের স্বাভাবিক ঘনত্ব এবং ক্যালসিয়ামের পরিমাণ কমে গিয়ে তা ভেতরের দিক থেকে ফাপা, দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।
সাধারণত বয়স বৃদ্ধি, শরীরে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি’র ঘাটতি এবং নারীদের ক্ষেত্রে মেনোপজ বা ঋতুস্রাব স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়ার কারণে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এই রোগটির প্রধান কারণ। এটিকে একটি নীরব ঘাতক বলা হয়, কারণ রোগটি কোনো বড় লক্ষণ ছাড়াই শরীরে বাসা বাঁধে এবং মৃদু আঘাত বা সামান্য পড়ে যাওয়ার ফলেও মেরুদণ্ড, কোমর কিংবা কব্জির হাড় ভেঙে যাওয়ার মাধ্যমে এটি প্রথম প্রকাশ পায়।
পুষ্টিকর সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শে হরমোন থেরাপি ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সেবনের মাধ্যমে এই রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।





