মহানগর এক্সপ্রেসের নতুন সময়সূচি ও ট্রেনের বিবরণ (Dhaka Cox's Bazar Mohanagar Express Timing)
বাংলাদেশ রেলওয়ের নতুন রুট ও সময়সূচি অনুযায়ী ট্রেনটি যেভাবে চলাচল করবে (Dhaka to Cox's Bazar train departure arrival time):
- ঢাকা থেকে যাত্রা: প্রতিদিন রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ঢাকার কমলাপুর স্টেশন ছেড়ে রাত ২টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে এবং পরদিন সকাল ৬টায় কক্সবাজার আইকনিক স্টেশনে পৌঁছাবে (Dhaka to Cox's Bazar train schedule)।
- কক্সবাজার থেকে ফেরা: কক্সবাজার থেকে প্রতিদিন সকাল ৯টায় ছেড়ে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রাম যাত্রাবিরতি দিয়ে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে।
- সাপ্তাহিক বন্ধ: ট্রেনটির সাপ্তাহিক ছুটির দিন রবিবার (Sunday off day for Mohanagar Express)।
- আসন ও কোচ: ট্রেনটিতে মোট ১৬টি কোচ থাকবে এবং মোট আসন সংখ্যা ৭০০ থেকে বাড়িয়ে ৭৩৬টিতে উন্নীত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
ভাড়ার তালিকা ও সিট ক্যাটাগরি (Dhaka Cox's Bazar Train Fare Details)
সিটের ধরণ ও রুট অনুযায়ী নির্ধারিত ভাড়া তালিকা (Dhaka to Cox's Bazar train ticket price):
- ১. ঢাকা থেকে কক্সবাজার: সর্বনিম্ন ভাড়া (শোভন চেয়ার) ৬৮৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ভাড়া (এসি ক্যাটাগরি) ১,৫৭০ টাকা পর্যন্ত (Shovon chair and AC ticket price BD)।
- ২. চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার: চট্টগ্রাম-কক্সবাজার অংশের জন্য সর্বনিম্ন ভাড়া ২৪০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ভাড়া ৫৪৭ টাকা।
যেসব স্টেশনে থামবে এবং বিশেষ রুট পরিবর্তন (Mohanagar Express Stoppages and Route)
ঢাকা থেকে ছেড়ে ট্রেনটি বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট ও ফেনী স্টেশনে থামবে (Mohanagar Express station stoppages list)। তবে বর্ধিত এই নতুন রুটে সীতাকুণ্ডের কুমিরা স্টেশনে ট্রেনটির যাত্রাবিরতি বাতিল করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
টিকিট পাওয়ার উপায় ও অনলাইন বুকিং (How to Buy Railway Ticket Online)
বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী অনলাইনে (Rail Sheba App / Website) এবং রেলওয়ে স্টেশন কাউন্টার থেকে সরাসরি টিকিট কেনা যাবে (Bangladesh Railway online ticket booking):
- ঢাকা থেকে ২৬ অক্টোবরের যাত্রার টিকিট আগেই বিক্রি শুরু হয়েছে।
- কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ফেরার জন্য ২৭ অক্টোবরের যাত্রার টিকিট বুকিং খোলা রয়েছে।
- যাত্রীরা টিকিটের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং কালোবাজারি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন, যাতে সাধারণ দর্শনার্থী ও পর্যটকরা সহজে যাতায়াত করতে পারেন।
সরাসরি ট্রেন যোগাযোগ চালুর ফলে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নরসিংদীর অধিবাসীদের ভোগান্তি যেমন কমবে, তেমনই কক্সবাজারের হোটেল, রেস্তোরাঁ ও স্থানীয় ট্যুরিজম খাতে আয়ের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:





