সভায় ডিজিএমএস মেজর জেনারেল কাজী মো. রশীদ-উন-নবী, এমফিল, এমপিএইচ; অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হোসাইন আল মোরশেদ, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি; কমান্ড্যান্ট, আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ মেজর জেনারেল মো. মাসুদুল আলম মজুমদার, বিএসপি, এফসিপিএস; এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এর উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. মাহবুব-উল আলম, বিএসপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল, পিএইচডি উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া প্রতিরক্ষা, অর্থ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, কাউন্সিলের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রতিনিধিবৃন্দও এতে অংশগ্রহণ করেন।
১৯তম কাউন্সিল অব দ্য কলেজ সভায় আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের শিক্ষার মানকে আরও আধুনিক, যুগোপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। আলোচনায় এএফএমসির শিক্ষার মান আধুনিকায়ন, একাডেমিক উৎকর্ষ বৃদ্ধি, সাম্প্রতিক পেশাগত পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।
এছাড়াও এএফএমসির বাজেট ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ২৯তম ব্যাচের ক্যাডেট ভর্তি কার্যক্রম, একাডেমিক ভবন ও মহিলা ডরমেটরির বর্ধিতাংশ নির্মাণ, জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচির আওতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের সম্প্রসারণ, নিজস্ব ডেডিকেটেড ট্রেইনিং হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ, ভবিষ্যৎ চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ক্যাডেট সংখ্যা বৃদ্ধি এবং চিকিৎসা শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মাধ্যমে এএফএমসির শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরও সুদৃঢ় হবে এবং ভবিষ্যতে সশস্ত্র বাহিনী ও দেশের জন্য দক্ষ, মানবিক, নৈতিক ও আধুনিক চিকিৎসক তৈরিতে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা যায়।
কাউন্সিল সভা শেষে সেনাপ্রধান ও চেয়ারম্যান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের বিদ্যমান ক্লিনিক্যাল স্কিলস অ্যান্ড সিমুলেশন ল্যাবোরেটরি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বিদ্যমান ল্যাবরেটরিটি আরও আধুনিক ও সম্প্রসারিত পরিসরে স্থানান্তরের লক্ষ্যে নির্ধারিত নতুন স্থানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।





