মন্ত্রী বলেন, ‘কাঁচা চামড়া রপ্তানির চেয়ে চামড়া থেকে জুতা, বেল্টসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করে বিদেশে রপ্তানি করলে দেশে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।’
তিনি বলেন, ‘এবার কোরবানির চামড়া পাচারের কোনো সম্ভাবনা নেই। সরকারের সার্বক্ষণিক নজরদারির কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংগ্রহ হওয়া চামড়া নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে এবং আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি চামড়া ট্যানারিতে পৌঁছাবে।’
এসময় তিনি জানান, সাভারের সিইটিপি সমস্যার সমাধান করে ভবিষ্যতে দেশের সব কোরবানির চামড়া সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া যারা চামড়ায় লবণ মাখিয়ে সংরক্ষণ করবেন তারা ভালো দাম পাবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এদিকে বিকেল থেকেই সাভারের বিসিক চামড়া শিল্পনগরীর বিভিন্ন ট্যানারি কারখানায় কাঁচা চামড়া প্রবেশ করতে দেখা গেছে।





