শঙ্খ, ঘণ্টা ও উলুধ্বনির মধ্য দিয়ে সনাতনী শাস্ত্র অনুসারে দেবী দুর্গাকে কুমারী রূপে অর্ঘ্য প্রদান করা হয়। এবছর কুমারীর আসনে বসেছেন আট বছর বয়সী রাজশ্রী ভট্টাচার্য। ষোড়শ উপাচারে তার পূজা সম্পন্ন হয়।
রাজশ্রী নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ আখড়া এলাকার পাপ্পু ভট্টাচার্য ও স্বর্ণা ভট্টাচার্যের মেয়ে। তিনি মোদগুল্লো গোত্রের এবং নারায়ণগঞ্জ আইডিয়াল স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
কুমারী পূজাকে ঘিরে মণ্ডপে ভক্ত-দর্শনার্থীদের ঢল নামে। রাজশ্রীর পরিবার ও স্থানীয়দের মাঝে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
আরও পড়ুন:
রাজশ্রীর বাবা-মা বলেন, ‘আমাদের মেয়েকে কুমারীর আসনে বসাতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা সবাই মিলে নারায়ণগঞ্জবাসীর মঙ্গল কামনা করছি।’
রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ স্বামী একনাথানন্দ বলেন, ‘স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন মেয়েদের মধ্যে ভগবানকে দেখার চেষ্টা করো। যে পরিবার, সমাজ বা দেশে মেয়েরা শান্তিতে নেই, সেখানে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। এজন্য আমাদের মায়েদের সম্মান জানাতে হবে।’
সনাতনী শাস্ত্র অনুযায়ী, কুমারী হলো শুদ্ধতার প্রতীক। দেবী দুর্গার আরেক রূপ কুমারী। এ পূজার মাধ্যমে দেবী মানুষের ভেতরে বিকশিত হন। এবারের পূজাতেও দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে প্রার্থনা করা হয়।





