৫৬ রানে নেই ৮ উইকেট। নাসুম আহমেদের ওভারে পরপর দুই বলে গেল দুই উইকেট। এক বল পরই ডাউন দ্য উইকেটে এসে বড় শট খেলার চেষ্টা আফগান ক্রিকেটার সামির। ব্যাট-বলের দূরত্বটাও বেশ বড়। ফলাফল আউট। বিপিএলে ফিক্সিং সন্দেহ উস্কে দিতে এমন একটা ঘটনাই হয়তো যথেষ্ট।
টুর্নামেন্ট শুরুর আগে থেকেই এবারের বিপিএল নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে ছিল বিসিবি। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে ডেকে সতর্ক করার পাশাপাশি সব দলের সঙ্গে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি রাখার কথাও জানায় বিসিবি। তবু সন্দেহমুক্ত রাখা গেল কই? ফিক্সিং সন্দেহে একাধিক ইস্যুতে অভ্যন্তরীণ-ভাবে তদন্ত হচ্ছে বলে এখন টিভিকে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিসিবির একজন পরিচালক।
আরও পড়ুন:
জানা গেছে, অন্তত চারটি ইস্যু নিয়ে এখন পর্যন্ত বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল কোচ-ক্রিকেটারদের মুখোমুখি হয়েছে। সামির ওই উইকেট বিলিয়ে দেয়াসহ নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ৬১ রানে অল-আউট হওয়া, অনুমতি না থাকলেও মাঠে বসে ফোনকল এবং মোটা অঙ্কের নগদ অর্থের বিনিময়ে হোটেল বিল পরিশোধের মতো ইস্যু আছে এই তালিকায়। এছাড়া দুই থেকে তিনজন এজেন্ট আছেন বিসিবির নজরদারিতে।
অবশ্য নানা ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত দিলেও এখন পর্যন্ত প্রায় সব ক্ষেত্রেই সন্তোষজনক জবাব মিলেছে বলেই জানা গেছে। যে কারণে কোনো দলের বিপক্ষে গুরুতর অভিযোগ নেই বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের। বিশ্বকাপ নিয়ে জটিলতার মাঝে তাই ফিক্সিং ইস্যুও নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় পার করতে হচ্ছে আয়োজকদেরকে।





