টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভরসার প্রতীক হয়ে উঠছেন শ্যাডলি ভ্যান শ্যালউইক

শ্যাডলি ভ্যান শ্যালউইক
ফুটবল
এখন মাঠে
0

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গতি আর আগ্রাসনের অন্য নাম শ্যাডলি ভ্যান শ্যালউইক। পাওয়ার প্লে কিংবা ডেথ ওভার দুই জায়গাতেই চমক দেখিয়েছেন তিনি। মিতব্যয়ী বোলিং ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট শিকার করে বিশ্বমঞ্চে জানান দিচ্ছেন নিজের সক্ষমতা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের পেসার শ্যাডলি ভ্যান শ্যালউইকের পারফরম্যান্সের পরিসংখ্যান বলছে, এক অনুপ্রেরণার গল্প। অভিষেকে আসরেই নজর কাড়েন গতির সঙ্গে নিয়ন্ত্রণের মিশেলে। পাওয়ারপ্লে ও ডেথ ওভারে দুই পর্যায়েই বল হাতে রেখেছেন কার্যকর ভূমিকা।

এবারের আসরে তিনি খেলেছেন চারটি ম্যাচ। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৭ ইকোনমিতে শিকার করেছেন ৪ উইকেট। পাকিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ২৫ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ভয় ধরিয়েছেন পাক ব্যাটারদের। এছাড়া স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে ৬ দশমিক দুই পাঁচ ইকোনমিতে শিকার করেছেন ৪ উইকেট। পুরো বিশ্বকাপে তার ইকোনমি রেট নিয়ন্ত্রিত যা টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে যুক্তরাষ্ট্র দলকে দিয়েছে দারুণ ভারসাম্য।

আরও পড়ুন:

বিশেষ করে টপ-অর্ডার ভাঙার ক্ষেত্রে তার স্ট্রাইক রেট ছিলো উল্লেখযোগ্য গড়ে প্রতি কয়েক ওভার পরপরই এসেছে ব্রেকথ্রু। শুধু উইকেটই নয়, ডট বলের শতাংশও ছিলো চোখে পড়ার মতো। মিডল ওভারে চাপ তৈরি করে প্রতিপক্ষকে বড় শট খেলতে বাধ্য করেছেন, যার ফল ক্যাচ ও ভুল শট থেকে উইকেট। ডেথ ওভারে ইয়র্কার ও স্লোয়ারের মিশ্রণে রান রেট আটকে রাখার দক্ষতা তাকে অন্য বোলারদের থেকে করেছে আলাদা।

ফিল্ডিংয়েও ছিলেন তৎপর ক্যাচ ও গ্রাউন্ড ফিল্ডিংয়ে বাঁচিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ রান। সবমিলিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্যাডলি ভ্যান শ্যালউইকের পরিসংখ্যান বলছে, তিনি শুধু একজন বোলার নন, দলের জন্য ম্যাচের গতি বদলে দেওয়া এক সব্যাসাচী ক্রিকেটার তিনি। বিশ্বমঞ্চে নামিবিয়ার লড়াইয়ে এ পেসার হয়ে উঠেছেন ভরসার প্রতীক। এবারের বিশ্বকাপে সংখ্যাই যার প্রমাণ।

এফএস