দেশের ফুটবলে যুক্ত হলো দুই নতুন প্রবাসী তারকা ‘ওয়াহিদ ব্রাদার্স’

ফারহান ওয়াহিদ ও রায়ান ওয়াহিদ
ফুটবল
এখন মাঠে
0

বাংলাদেশের ফুটবলে যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন দুই প্রবাসী প্রতিভা। ইংল্যান্ডে বেড়ে ওঠা ফারহান ও তার ছোট ভাই রায়ান ওয়াহিদ বাংলাদেশের হয়ে খেলতে সম্মতি জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিডিও বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম।

সুলিভান ব্রাদার্সের পর এবার বাংলাদেশের ফুটবলে যুক্ত হচ্ছে ওয়াহিদ ব্রার্দাসের নাম। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুলহ্যাম অনূর্ধ্ব-২১ দলের উইঙ্গার ফারহান ওয়াহিদ ও তার ভাই ওকিং এফসির অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার রায়ান ওয়াহিদ লাল সবুজের প্রতিনিধিত্ব করতে রাজি হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন বাফুফে সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম।

তিনি বলেন, ‘আমি দু’জন অরিজিন প্লেয়ার অ্যানাউন্স করবো। রিসেন্টলি আপনারা জানেন যে, আমি সুলিভান ব্রাদার্সের কথা বলেছিলাম এবং তাদেরকে অ্যানাউন্স করেছিলাম। আজকেও আমি দু’জন ভাইয়ের কথা বলবো, তবে তারা যমজ নয়। তারা ওয়াহিদ ব্রাদার্স; একজন হলেন বহুল আলোচিত এবং জনপ্রিয় ফারহান আলী ওয়াহিদ এবং তার ছোটভাই রায়ান আলী ওয়াহিদ। তারা উভয়ই আমাদের হয়ে, বাংলাদেশের হয়ে খেলার প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, আলহামদুলিল্লাহ।’

ফাহাদ করিম জানান, ফারহানের এজেন্ট অ্যাডাম রবার্টস প্রথমে ফেডারেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ওয়াহিদ ব্রাদার্সের পরিবারের সাথে আলাপ হয় বাফুফের। বাংলাদেশের ফুটবলের বর্তমান অবস্থা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দুই ভাইয়ের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর তাদের বাবা ফারহান ও রায়ানকে বাংলাদেশের হয়ে খেলতে সম্মতি দেন।

আরও পড়ুন:

বর্তমানে ফারহান খেলছেন ফুলহ্যাম অনূর্ধ্ব-২১ দলে। গতি, ড্রিবলিং, অ্যাসিস্ট এবং গোল করার দক্ষতার জন্য পরিচিত এই তরুণ উইঙ্গার। চেলসি ইয়ুথ একাডেমি থেকে উঠে আসা ফারহান গেল নভেম্বরে ‘প্লেয়ার অব দ্য মান্থ’ নির্বাচিত হন। এবার ‘প্লেয়ার অব দ্য সিজন’ এর জন্যও মনোনয়ন পেয়েছেন। দ্রুতই তাকে দেখা যেতে পারে প্রিমিয়ার লিগেও।

অন্যদিকে, ছোট ভাই রায়ান আলী ওয়াহিদ খেলছেন ওকিং এফসির হয়ে। মূলত অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হলেও উইঙ্গার হিসেবেও সমান পারদর্শী রায়ান। বল কন্ট্রোল, দ্রুত পাসিং ও আক্রমণ তৈরির দক্ষতা থাকায় ১৬ বছর বয়সী এই কিশোরকে নিয়ে দেশের বয়সভিত্তিক দলে বড় সম্ভাবনা দেখছে বাফুফে। দু’জনকেই যতদ্রুত সম্ভব দলে ভেড়াতে চান বাফুফে সহ-সভাপতি।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সেপ্টেম্বর উইন্ডোতে আমাদের যে টুর্নামেন্টে আমরা চিন্তা করছি যে বাংলাদেশে আয়োজন করবো, কিংবা আমরা কোনো একটা টুর্নামেন্ট খেলতে বিদেশে যাবো। সেখানে আমরা তাদেরকে অন্তর্ভুক্ত করতে চাইবো।’

ঈদের পরপরই শুরু হয়ে যাবে তাদের পাসপোর্ট তৈরির কাজ, যা জুলাইয়ের মাঝামাঝি শেষ করার ব্যাপারে আশাবাদী বাফুফে।

এসএইচ