একজন ডিয়েগো ম্যারাডোনার সন্ধানে আর্জেন্টিনাকে ঘুরতে হয়েছিল অনেক দুয়ারে। তবে, সত্যিকার অর্থেই নতুন কাউকে পেতে আর্জেন্টিনার ফুটবলকে পেরুতে হয়েছে দুই যুগের বেশি সময়। অবশেষে মেসি এলেন। নিজেকে ফুটবল নামের খেলার সবচেয়ে বড় শিল্পী হিসেবে করেছেন প্রতিষ্ঠিত। তিন প্রজন্মের সঙ্গে লড়াই করে মেসি এখনো রাজত্ব করছেন ফুটবল দুনিয়ায়।
শান্ত স্বভাবের মেসিকে প্রথমবার ব্যালন ডিঅরের পোডিয়ামে দেখা গিয়েছিল ২০০৭ সালে। ব্রাজিলের রিকার্ডো কাকার পাশে সেই বছরের তৃতীয় সেরা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। ২০০৯ সালেই হয়েছেন ব্যালনজয়ী ফুটবলার। মেসিকে সেসময় লড়তে হয়েছিল রাউল, কাকা, থিয়েরি অঁরি, আন্দ্রেই শেভচেঙ্কো কিংবা স্যামুয়েল ইতোর সঙ্গে। উইঙ্গার হিসেবে মেসি নিজের আগমনী জানান দিয়েছিলেন সেসময়ে।
আরও পড়ুন:
ক্যারিয়ারে নিজের সেরা সময়ে মেসিকে লড়তে হয়েছিল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে। ব্যালন ডি অরের মঞ্চটা ১০ বছরের জন্য নিজেদের করে রেখেছিলেন দুজন। তবে, অর্জনের গল্পে রোনালদোকে হারিয়েছেন বহু আগেই। এডেন হ্যাজার্ড, লুকা মদ্রিচ, নেইমার, রবার্ট লেভানডস্কি কিংবা লুইস সুয়ারেজদের টেক্কা দিয়ে মেসি নিজেকে প্রমাণ করেছেন সর্বকালের সেরা হিসেবে।
শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পেয়েও থেমে থাকেননি মেসি। সমবয়সীদের হাল ছেড়ে দেয়ার পর নতুন প্রজন্মের সেরাদের সঙ্গেও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। এমবাপ্পে-হ্যালান্ড-ভিনিসিয়াস কিংবা লামিন ইয়ামালদের যুগেও ৩৯ বছর বয়সী লিওনেল মেসি রাজত্ব করে বেড়াচ্ছেন। এখনও মুগ্ধ করে যাচ্ছেন ফুটবল পণ্ডিত থেকে শুরু করে সমর্থক-সমালোচক সবাইকেই।
ফুটবলের নিখাদ সৌন্দর্য ছাড়িয়ে নিজের আলাদা শিল্প তৈরি করেছেন লিও। সেই শিল্প যুগ-কাল পেরিয়ে গেছে। প্রজন্মের পর প্রজন্মকে ফুটবলে বুঁদ করে রেখে অমরত্বের স্বাদ নিয়েছেন এই ফুটবল মাঠে থেকেই।





