নকআউট নিশ্চিত, বিশ্বকাপজুড়ে উৎসবের আমেজ

বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশে এভাবেই ফুটবল ভক্তরা মেতে ওঠেন বিশ্বকাপের আমেজে
ফুটবল , বিশ্বকাপ
এখন মাঠে
0

সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ । ৪৮ দলের এ টুর্নামেন্ট নেমে আসছে সেরা ৩২ এ। নিজ দেশের এ নকআউট টিকেট পাওয়ায় বাঁধভাঙ্গা উল্লাস ছড়িয়ে পড়ছে দেশে দেশে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনি থেকে জাপানের টকিও আর ইকুয়েডারে ঘোষণা করা হয়েছে ১ দিনের সরকারি ছুটি।

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের বৈতরণী পার হয়ে দলগুলো যখন জায়গা করে নিচ্ছে শেষ বত্রিশে, ঠিক তখনই ফুটবল উন্মাদনার এক নতুন জোয়ার আছড়ে পড়েছে দেশে দেশে। প্রিয় দলের টিকিট কাটার সমীকরণ মেলার পর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সমর্থকরা মেতে উঠেছেন বুনো উদযাপনে

প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজতেই টাম্বালং পার্কে যেন শুরু হয় উৎসবের সুনামি। গোলশূন্য ড্রয়ের ম্যাড়মেড়ে ম্যাচ হলেও, এ এক পয়েন্টেই নিশ্চিত হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার শেষ বত্রিশ। স্টেডিয়ামের কড়া নিষেধাজ্ঞা উড়িয়েই ফ্যানরা জ্বালান ফ্লেয়ার, ওড়ান সবুজ-সোনালী কনফেটি। কাতার বিশ্বকাপের পর আবারও নকআউটের টিকিট পেয়ে আবেগে ভাসছেন সিডনিবাসী।

সিডনির স্থানীয় একজন বলেন, ‘চাঁদ হাতে পাওয়ার মতো আনন্দ হচ্ছে! আমরা শেষ বত্রিশে কোয়ালিফাই করেছি। সত্যিই দারুণ, অসাধারণ এক অনুভূতি।’

অন্যদিকে সুইডেনের সাথে ১-১ গোলে ড্র করে গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে শেষ বত্রিশে পা রেখেছে জাপান। আর তাতেই টোকিওর বিখ্যাত শিবুয়া ক্রসিং রূপ নেয় উৎসবের মঞ্চে। ট্রাফিক লাইট সবুজ হতেই শত শত জাপানি সমর্থক রাস্তায় নেমে মেতে ওঠেন জয়ের স্লোগানে। তবে তাদের চোখ এখন আরও উঁচুতে ।

জার্মানির বিরুদ্ধে ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়েও, কি অবিশ্বাস্যভাবেই না ঘুরে দাঁড়াল ইকুয়েডর! ২-১ ব্যবধানে জার্মানিকে হারিয়ে শেষ ৩২ নিশ্চিত করে লা ত্রি-রা। আর তাতেই রাজধানী কিটোতে শুরু হয় গর্জন। উদযাপনের রেশ ধরে রাখতে দেশটিতে ঘোষণা করা হয়েছে ১দিনের সরকারি ছুটি।

স্থানীয় একজন বলেন, ‘ম্যাচটা অনেক কঠিন ছিল, কিন্তু আমরা পেরেছি। আমরা কখনোই আশা হারাইনি এবং আজ আমাদের সেই জাতীয় গর্ব ফিরে এসেছে। আমরা সবসময় ইকুয়েডরের পাশে আছি।’

হিসাব-নিকেশের গ্রুপ পর্ব শেষ, এবার আসল লড়াই। আর বিশ্বমঞ্চে টিকে থাকার এই স্নায়ুযুদ্ধে প্রিয় দলের জন্য গলা ফাটাতে মাঠ কিংবা রাজপথে একটুও ছাড় দিচ্ছেন না ফুটবল পাগল সমর্থকরা

জেআর