২০২৬ বিশ্বকাপেও নেদারল্যান্ডসের শুরুটা হলো দাপট দেখিয়ে। জাপানের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্রয়ের পর সুইডেনকে তারা উড়িয়ে দিয়েছে ৫-১ ব্যবধানে। আর তিউনিশিয়ার বিপক্ষে সহজ জয়ে নকআউটের জন্য প্রস্তুতিটাও সেরে রেখেছে দ্য অরেঞ্জ আর্মি।
তবে, প্রতিপক্ষ যখন মরক্কো তখন যে কোনো প্রস্তুতিই উড়ে যেতে পারে তাদের গতিময় ফুটবলের সামনে। নাসের মাজরাউই কিংবা আশরাফ হাকিমিদের মতো উইংব্যাক অ্যাটলাস লায়নদের বড় শক্তি। মাঝমাঠে ম্যাচের গতিপ্রকৃতি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব থাকবে আইয়ুব বুয়াদ্দি-ব্রাহিম দিয়াজদের হাতে। আর গোলস্কোরারের ভূমিকা নিতে হবে ইসমাইল সাইবারিকে। সবমিলিয়ে বড় ম্যাচের জন্য প্রস্তুত মরক্কো গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনো।
আরও পড়ুন:
মরক্কো গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনো বলেন, ‘আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এটি একটি বড় ম্যাচ। প্রতিপক্ষ একটি দুর্দান্ত দল, যাদের দলে অনেক মানসম্মত খেলোয়াড় রয়েছে। মরক্কোরও কয়েকজন অসাধারণ খেলোয়াড় আছে। তাই ম্যাচটি হবে খুবই রোমাঞ্চকর। আমরা সবাই প্রস্তুত আছি এবং এই বড় চ্যালেঞ্জের জন্য নিজেদের সেরাটা দিতে চাই।’
অবশ্য মরক্কোকে আটকানোর জন্য নেদারল্যান্ডসের আছে ভ্যান হিকি এবং ভার্জিল ভ্যান ডাইকের জুটি। সঙ্গে ফ্র্যাঙ্কি ডি ইয়ং, তিজানি রেইন্ডার্স আর রায়ান গ্রাভেনবাখরা ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন অনায়াসে। নিজের দল নিয়ে আশাবাদী হলেও মরক্কোকে সমীহই করছেন ডাচ কোচ কোম্যান।
ডাচ কোচ কোম্যান বলেন, ‘মরক্কো একটি শক্তিশালী দল। আমার মনে হয় দুই দলের মধ্যে এটি দারুণ একটি ম্যাচ হবে। এমন ম্যাচ বিশ্বকাপের শুরুতেই হয়ে যাচ্ছে। তবে আমাদের প্রতিপক্ষ তো তারাই, তারা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে পছন্দ করে। তাদের দলে অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে।’
এই ম্যাচে মাঠে নামার আগে নেদারল্যান্ডসই এগিয়ে থাকছে পরিসংখ্যানের পাতায়। ১৯৯৪ সালে সবশেষ বিশ্বকাপে দেখা হয়েছিল দুই দলের। তাতে ২-১ গোলের জয় ছিল ডাচদের। মরক্কো সামনে তাই অতীত ফল বদলানোর সুযোগ।





