আর্জেন্টাইন মহাতারকা জানিয়েছেন, রেফারির কোনো সিদ্ধান্তেই তিনি খারাপ কিছু দেখতে পাননি। বরং ম্যাচটি যথেষ্ট প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও দারুণ হয়েছে বলেই তিনি মনে করেন।
আরও পড়ুন
ম্যাচ শেষে রেফারিকে নিয়ে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে মেসি বলেন, ‘সত্যি বলতে, অসাধারণ রেফারিং হয়েছে। প্রত্যেকটা সিদ্ধান্তই প্রায় নিখুঁত ছিল। আপনারাই বলুন কোন সিদ্ধান্ত রেফারি ভুল নিয়েছেন? ব্যক্তিগতভাবে আমি রেফারির প্রতিটা সিদ্ধান্ত নিয়েই খুশি।’
উল্লেখ্য, ম্যাচের সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল মিসরের একটি গোল বাতিল এবং শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি না পাওয়া নিয়ে। আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলের ঠিক আগে তাদের ডি-বক্সের ভেতর মোহাম্মদ সালাহকে ফাউল করা হয়েছিল বলে দাবি করে মিসর। তবে ভিডিও রিপ্লেতে দেখা গেছে, নিকোলাস ট্যাগলিয়াফিকোর পা সালাহের গায়ে লাগার আগেই তিনি নিখুঁতভাবে বল ক্লিয়ার করেছিলেন। অন্যদিকে, ম্যাচের ৫৮ মিনিটে মিসরের যে গোলটি বাতিল হয়, তার বিল্ডআপের সময় লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে ফাউল করা হয়েছিল বলেই ভিএআর দেখে সিদ্ধান্ত নেন রেফারি।
আরও পড়ুন
এদিন ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পেনাল্টি মিস করে বসেন লিওনেল মেসি। সেই মুহূর্তের মানসিক অবস্থা এবং পরবর্তীতে গোল করে সমতা ফেরানোর স্বস্তি নিয়ে তিনি বলেন, ‘ম্যাচের পর প্রচণ্ড তৃপ্তি পেয়েছিলাম। তবে পেনাল্টি নষ্ট করার পর নিজের ওপরেই প্রচণ্ড রেগে গিয়েছিলাম। যেভাবে শট নিয়েছিলাম তা একেবারেই ঠিক ছিল না। মনে হচ্ছিল, এত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলকে ডুবিয়ে দিলাম। তবে দিনের শেষে ঈশ্বর আমার জন্য ভালো কিছুই লিখে রেখেছিলেন। সমতা ফেরানোর গোলটা আমি করতে পেরেছি। তাতে এতটা শান্তি পেয়েছি এবং খুশি হয়েছি যে তা প্রকাশ করার ভাষা নেই।’
আরও পড়ুন
মেসি আরও যোগ করেন, ‘যদি পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারতাম, তাহলে খেলাটা শুরুতেই অন্যদিকে মোড় নিত। কারণ, তার আগে থেকেই আমরা যথেষ্ট ভালো খেলছিলাম, এমনকি ওরা গোল করার পরেও। আমরা দুর্দান্ত কিছু সুযোগ তৈরি করেছিলাম, যেমন আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার বা হুলিয়ান আলভারেজের শটগুলো। কিন্তু ওদের গোলকিপার একদম গোললাইন থেকে বল সেভ করেছে। তবে সব মিলিয়ে এই দলটা জেতার যোগ্য ছিল এবং আমি সত্যিই খুব খুশি।’





