মেঘ না চাইতে বৃষ্টি বোধহয় একেই বলে। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে বাংলাদেশে আনার কথা হয়তো স্বপ্নেও ভাবেননি দেশের ফুটবলের কর্ণধাররা। তবে অনেকটা দৈববলেই সেই সুযোগ হাজির হয়েছে বাফুফের সামনে। সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে হামজা-ভিনিসিয়াসের মুখোমুখি লড়াইয়েরও। তবে সমীকরণটা সহজ নয় মোটেও।
ভারত এবং ব্রাজিলের সঙ্গে ফুটবলের ত্রিমুখী এক জটিলতায় এখন বাংলাদেশ। ৩ অক্টোবরের ভারত-ব্রাজিল ম্যাচটি এখন ছিনিয়ে নেয়ার অবস্থায় বাংলাদেশ। দিনদুয়েক আগেই ভারতের প্রস্তাবিত কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে অসন্তোষ জানায় ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের পরিদর্শক দল। যুবভারতীর টার্ফ খেলোয়াড়দের ইনজুরির সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেবে বলে পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে ব্রাজিল।
আরও পড়ুন
এরপরেই দৃশ্যপটে হাজির বাংলাদেশ। গতকাল (রোববার, ২৪ আগস্ট) ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়াম দেখার পর সন্তুষ্ট ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল। বাফুফের সংশ্লিষ্ট সূত্রদের ভাষ্য, ঢাকায় ভিনিসিয়াস-রাফিনিয়াদের নিয়ে আসতেও অনেকটাই সম্মত তারা। সেক্ষেত্রে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচের নিরেপেক্ষ আয়োজক হতে পারে ঢাকা। আর তাতেই নড়েচড়ে বসেছে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন। ঢাকাতেই ম্যাচ আয়োজন করতে হলে খরচ কমাতে ভারত-বাংলাদেশ-ব্রাজিলের ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের প্রস্তাব আসতে পারে এআইএফএফ’র পক্ষ থেকে।
তবে, এ ম্যাচ খেলতে হলে বাংলাদেশকেও পড়তে হবে বিপদে। ফিফা উইন্ডোতে সর্বোচ্চ চার ম্যাচই খেলতে পারবে থমাস ডুলি শিষ্যরা। আসিয়ান কাপে অংশ নিলেই সেই কোটা পূরণ করে ফেলবে হামজা-জামালরা। গ্রুপপর্বেই ৩ ম্যাচ খেলে ফেলবে বাংলাদেশ। সেইসঙ্গে থাকতে পারে স্থান নির্ধারণী ম্যাচ।
অন্যদিকে ব্রাজিল ম্যাচ নিয়ে ভারতের ফুটবলে শুরু হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ। দেশটির কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া এরই মধ্যে ৫০ থেকে ৭০ কোটি টাকায় একটি ম্যাচ আয়োজনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। একই বাজেটে বাংলা রাজ্যে ফুটবল উন্নয়নে মনোযোগ দেয়ার পরামর্শ তার। আবার, ভেন্যু জটিলতার পাশাপাশি নিজ দেশের কিংবদন্তির এমন মন্তব্যে ক্ষুব্ধ ভারতও।





