মার্চ, জুন সেপ্টেম্বর, অক্টোবর এবং নভেম্বর। ক্লাব মৌসুমের বাইরে এই পাঁচ মাসেই দেখা মেলে জাতীয় দলের। ফিফার এই উইন্ডোগুলোতে সাকুল্যে সময় থাকে ৯ দিন। দলগুলোর সামনে থাকে দুটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ। তবে, ২০২৬ সালের শেষভাগে এসে ফিফা বদলালো নিয়ম। প্রথমবারের মতো ১৬ দিনের আন্তর্জাতিক বিরতির দেখা মিলেছে। আর তাতে বিভিন্ন প্রশ্নও উঠেছে ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে।
ফিফার নিজস্ব যুক্তি সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর, টানা ৩ মিস ফুটবলারদের ভ্রমণক্লান্তি থেকে দূর করার উদ্দেশ্য নিয়েই এবারের লম্বা বিরতি। সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবরের দুটি উইন্ডোকে একীভূত করে নেয়া হয়েছে এবারের পরিকল্পনায়। তাতে অবশ্য ম্যাচ সংখ্যাও ২ থেকে বেড়ে হচ্ছে ৪। আর এতে করে ২০৩০ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক উইন্ডো কমে আসবে ৪টিতে। মার্চ-জুনের পর কেবল নভেম্বরে দেখা যাবে প্রথাগত ৯ দিনের ইন্টারন্যাশনাল ব্রেক। খেলোয়াড়দের বিশ্রামের জন্য বাড়তি সুযোগও মিলবে তাতে।
তবে, লম্বা এই বিরতি নিয়ে প্রশ্ন আছে অনেক। দীর্ঘ ছুটির কারণে চলমান ছন্দ হারিয়ে ফেলার শঙ্কাও আছে অনেক ক্লাবের। আবার ব্রাজিলের মতো দল চার ম্যাচ খেলতে ছুটবে অস্ট্রেলিয়া, ভারত থেকে শুরু করে নিজ দেশ পর্যন্ত লম্বা পথ। স্বাভাবিকভাবেই ১৬ দিনে বিশ্রাম পর্যাপ্ত পাচ্ছেন না সেলেসাও তারকারা। কারো কারো ধারণা, বেশি ম্যাচ দিয়ে মূলত নিজেদের আয়ের পথ ভারি করতে চাইছে ফিফা।
১৬ দিনের এই বন্ধের সুবাদে বাংলাদেশও সাক্ষী হচ্ছে এক নতুন ইতিহাসের। প্রথমবারের মতো ফিফা আয়োজিত কোনো আন্তর্জাতিক আসরে দেখা যাবে হামজা-জামালদের। আসিয়ান কাপেই নিজেদের কোটায় থাকা ৪ ম্যাচ খেলার সুযোগও পাবে বাংলাদেশ ফুটবল দল।





