৮ বছর পর ঢাকার মাঠে সাফ ফুটবলের উৎসব। কিন্তু আঞ্চলিক এই আসর যেন রং ছড়াতে পারছে না খেলোয়াড়-ভক্ত কিংবা ফুটবল সংস্থাগুলোর মাঝে।
দিনকয়েক আগেই জানা গিয়েছিলো সাফের এবারের আসরের প্রথম ম্যাচে থাকছেন না হামজা চৌধুরী। শমিত শোমকে নিয়েও কিছুটা অনিশ্চয়তা আছে। আবার দুই তরুণ মুখ রোনান এবং ডেক্লান সুলিভানকেও বাংলাদেশ পাবে কি না, তা নিয়ে আছে শঙ্কা।
ফিফা উইন্ডোর আগেই টুর্নামেন্ট শুরুর কারণে বাংলাদেশ শুরুর ম্যাচেই পাচ্ছে না ৯০ শতাংশ প্রবাসী ফুটবলারকে— বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহ-সভাপতি ফাহাদ করিমের এমন মন্তব্য কিছুটা হলেও ধাক্কা হিসেবেই এসেছে বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য। সেইসঙ্গে সাফের বর্ণিল আয়োজনও যে খানিকটা মলিন হয়েছে, তা অস্বীকার করার জো নেই।
আরও পড়ুন:
এরপরের খবরটাও কিছুটা বিষাদেরই বটে। পাকিস্তান ফুটবলের বড় দুই নাম ইসাহ সুলিমান এবং আব্দুল্লাহ ইকবালকেও দেখা যাবে না এবারের সাফে। পাকিস্তানের ফুটবল পাড়ার খবর, দুইজনেরই ক্লাব থেকে অনুমতি মিলছে না সাফের এবারের আসরের জন্য।
আব্দুল্লাহ ইকবাল খেলছেন সুইডেনের শীর্ষলিগের ক্লাব মালবি এএফকে ক্লাবে। আর ইসাহ সুলিমান ব্যস্ত আজারবাইজানের লিগে। ফিফা স্বীকৃত টুর্নামেন্ট না হওয়ার কারণেই মূলত এই দু’জনকে ছাড়তে নারাজ নিজ নিজ ক্লাবগুলো।
ভারত জাতীয় দল নিয়েও খবর নেতিবাচক। খালিদ জামিলের অধীনে গেলো উইন্ডোতে পানামা, ব্রাজিল এবং উরুগুয়ের মতো দলের বিপক্ষে খেলেছে ভারত। বিশ্বকাপে নিয়মিত অংশ নেয়া দলগুলোর বিপক্ষেই এখন খেলানোর তাগিদ এআইএফএফের।
নভেম্বরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সূচি আছে ভারতের। সবকিছু ঠিক থাকলে ঢাকায় পাঠানো হতে পারে অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে। এর বাইরে নেপাল খেলতে পারছে না ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে।




