জুনিয়র বিশ্বকাপ ও পাকিস্তান সিরিজের পর দীর্ঘ সময় প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্টের বাইরে ছিলো বাংলাদেশ হকি দল। তবে সেই ঘাটতি পুষিয়ে নিতে এবার ফিটনেস ও প্রস্তুতিতে জোর দিচ্ছে ফেডারেশন। সংশ্লিষ্টদের বিশ্বাস, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দলের ফিটনেসে আসবে স্পষ্ট উন্নতি।
তারুণ্য আর অভিজ্ঞতার মিশেলে নতুন করে দল গঠনের কাজ চলছে। সামনে এশিয়ান কাপ কোয়ালিফায়ার সেই লক্ষ্যেই এখন সব পরিকল্পনা। ফিটনেস টেস্টে খেলোয়াড়রা সবাই নিজেদের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করেছেন বলে জানিয়েছেন কোচিং স্টাফ।
বাংলাদেশ হকি দলের কোচ আশিকুজ্জামান বলেন, ‘এখানে ফিটনেসের গুরুত্ব সবার আগে। তারপরে স্টেপ বাই স্টেপ এশিয়ান গেমসে কোয়ালিফাই করবো তারপরে সেমিফাইনাল, লক্ষ্য থাকবে ফাইনাল। ফাইনালে উঠলে তখন আমরা চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য ফাইট করবো।’
আরও পড়ুন:
কুপার টেস্টের মাধ্যমে ট্রায়াল শুরু করেছে হকি দল। শিগগিরই শুরু হবে আবাসিক ক্যাম্প। প্রায় এক মাসের মধ্যে নিজেদের সেরা প্রস্তুতি নিতে চান খেলোয়াড়রা। সবকিছু ঠিক থাকলে, ক্যাম্প শেষে ওমানের উদ্দেশে রওনা দেবে দল। র্যাংকিং উন্নতির জন্য এসব টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ জরুরি বলেই মনে করছে ফেডারেশন।
বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব) মোহাম্মদ রিয়াজুল হাসান বলেন, ‘কুপার টেস্টের মাধ্যমে ট্রায়াল শুরু করেছে হকি দল। এটি এশিয়ান গেমস কোয়ালিফিকেশনের জন্য। ৫০জনের ক্যাম্পে প্লেয়ারকে ফিট রাখা ডিফিকাল্ট হয়ে যায়। প্লেয়ারের ফিটনেস তাকে নিজের করতে হবে এটি সবসময় বলে আসছি। টেস্ট চলবে প্লেয়ার কমে আসবে। প্ল্যান হলো সব ঠিক থাকলে ২২ মার্চ প্লেয়াররা ওমানের উদ্দেশে রওনা দেবে।’
কুপার টেস্টে আত্মবিশ্বাসী বিশ্বকাপের সেরা পারফর্মার আরিফুল। ফিটনেস পরীক্ষায় ভালো করায় এখন মাঠের খেলায় মনোযোগ দিতে চান তিনি।
বাংলাদেশ হকি দলের ডিফেন্ডার আমিরুল ইসরাম বলেন, ‘সবাই কুপার টেস্ট ভালোই দিয়েছে। এখন আমাদের টার্গেট হলো স্টিক বলে ফিট হওয়া। প্রতিযোগিতামূলক পারফরমেন্স আমাদের ক্যাচ করা। আমাদের উদ্দেশ্য হলো চ্যাম্পিয়ন হওয়া আমরা সে অনুযায়ী কাজ করবো।’





