ক্রীড়া ভাতা উদ্যোগে স্বস্তি, কার্ড বণ্টনে স্বচ্ছতার দাবি

ক্রীড়া কার্ড দিচ্ছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক
অন্য সব খেলা
এখন মাঠে
0

সব ফেডারেশনের তরুণ খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে সরকারের ক্রীড়া ভাতার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ক্রীড়া সংগঠকেরা। তবে বিভিন্ন ফেডারেশনের খেলোয়াড়দের মাঝে ক্রীড়া কার্ড সুষ্ঠুভাবে বণ্টনের দাবি জানিয়েছেন ক্রীড়া সংগঠকরা।

ফ্যামিলি কার্ড-কৃষক কার্ডের পর ক্রীড়া ক্ষেত্রেও কার্ড চালু করেছে বর্তমান সরকার। শুরু হয়েছে বন্টন প্রক্রিয়াও। ক্রীড়াঙ্গনে বিশেষ এ সুবিধা প্রদানকে সাধুবাদ জানালেও বন্টন প্রক্রিয়া নিয়ে আরো সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ক্রীড়া সংগঠকরা। তাদের মনে করেন, শুধু জাতীয় দলের খেলোয়াড় নয় উঠতি প্রতিভাবান খেলোয়াড়দেরও এই সুবিধার আওতায় আনা জরুরি।

ক্রীড়া সংগঠক আসাদুজ্জামান কোহিনুর বলনে, ‘আমরা স্বপ্নেও কখনো কল্পনা করতে পারিনি যে একটা খেলোয়াড় মাসে এক লাখ টাকা করে পাবে। এ অ্যামাউন্টটা ইকুয়ালি ডিস্ট্রিবিউশন বা কোথায় কীভাবে ডিস্ট্রিবিউশন করলে শ্রেষ্ঠ উপকারটুকু পাবে জাতি, নেশন উপকৃত হবে—এ অর্থের সঠিক ব্যবহারটা আরেকটু আমি মনে করি যে বিজ্ঞানভিত্তিক এবং বাস্তবভিত্তিক করলে ভালো হবে।’

আরও পড়ুন

ক্রীড়া সংগঠকদের মতে, ক্রীড়া ভাতা এমনভাবে বণ্টন করতে হবে যাতে স্থানীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়রাও মাঠে টিকে থাকতে পারেন। পাশাপাশি শুধু ভাতা দিলেই হবে না খেলোয়াড়দের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা, উন্নত মানের খেলার সরঞ্জাম এবং পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তারা। তবে এ উদ্যোগের প্রকৃত সুফল পেতে হলে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

আসাদুজ্জামান কোহিনুর বলনে, ‘অনেক খেলোয়াড় আছে যারা হয়তো মাসে ২০০ টাকাও পায় না। অনেক সম্ভাবনাময় খেলোয়াড় আছে, যারা শুধু নিউট্রিশনের অভাবে খেলতে পারতেছে না। আমার জানামতে অনেক ফুটবল প্লেয়ার আমার নলেজেই আছে যে গরিব ছেলে, বাট হি ওয়াজ ভেরি গুড ফুটবল প্লেয়ার হইতে পারে বা পারবে, সে জায়গায় জায়গায় খেলে। কিন্তু আমাদের দরকার ছিল ওই সব প্লেয়ারদেরকেও খুঁজে এনে তাদেরকে আরও কিছু ফিন্যান্সিয়াল সাপোর্ট দেওয়ার জন্য।’

ক্রীড়া সংগঠক আখতার উজ জামান বলেন, ‘এখন যে-রকম একটা স্ল্যাবে একটা সার্টেন অ্যামাউন্ট সবার জন্য করে দিয়েছে, সেটা না করে এটাকে ক্যাটাগরাইজড যদি করত যে তুমি ফিউচার প্রসপেক্ট যে তুমি এ, বি, সি—এরা পাচ্ছে, কিছু কিছু মানুষ আছে পাচ্ছেই না। তো ওদেরকে কিছু যদি দেয়া হত এবং ফেডারেশনের সঙ্গে আলাপ করে, তাহলে ওরা করত কি নেক্সট লেভেলে ওঠার জন্য আরও ট্রাই করত। ধরেন একজন বেসিক প্লেয়ারকে আমরা এক লক্ষ টাকা না দিয়ে তাদেরকে আমরা ৪০ হাজার টাকা দিলাম, ৩০ হাজার টাকা দিলাম যেখান থেকে তারা ইয়ে করতে পারে।’

ক্রীড়া ভাতার সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা গেলে তৃণমূল থেকেই উঠে আসবে আগামী দিনের তারকা। এমনটাই প্রত্যাশা ক্রীড়া অঙ্গনের।

জেআর