
দীপাবলি ঘিরে ভারতে জমে উঠেছে অলঙ্কার কেনাবেচা, বিক্রি বাড়ার আশা ব্যবসায়ীদের
উৎসবের মৌসুম চলছে ভারতে। দীপাবলির বর্ণাঢ্য আয়োজনের পাশাপাশি ধনতেরাস উদযাপনে কেনাকাটার হিড়িক পড়েছে অলঙ্কারের দোকানে। স্বর্ণ-রূপাসহ সব ধরনের মূল্যবান গহনা বিক্রি হচ্ছে বেশ। গেলো বছরের তুলনায় এ বছর ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত বিক্রি বাড়বে বলে প্রত্যাশা অলঙ্কার-ব্যবসায়ীদের। অন্যদিকে, দূষণ নিয়ন্ত্রণ আর ক্রমবর্ধমান খরচের চাপে বাণিজ্যে মন্দার মধ্যেই তুমুল ব্যস্ততা আতশবাজির কারখানাগুলোতে।

হীরা রহস্য: কেন এত দামি এই ঝকঝকে রত্ন?
দামি গহনা কিংবা অলঙ্কার গায়ে জড়ানোর সাধ কার না থাকে! আর রত্নটি যদি হয় হীরে, তাহলে তো কোনো কথাই নেই। তবে এ রত্নপাথর ব্যয়বহুল হওয়ায় অনেকের ইচ্ছে থাকলেও উপায় হয়ে ওঠে না। তুচ্ছ এক জিনিস থেকে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে চলে যাওয়া পণ্যটির নাম ডায়মন্ড বা হীরা। একটা সময় হীরা নিয়ে তেমন আগ্রহ না থাকলেও এখন এটি জনপ্রিয়তার চূড়ায়। গহনা থেকে শুরু করে শিল্প কিংবা প্রযুক্তি, প্রায় সবখানেই রয়েছে ডায়মন্ডের ব্যবহার। এ বিলাসী পণ্যটির উচ্চমূল্যের কারণে সবার পক্ষে তা খরিদ করা সম্ভব নয়। তবে কেন এটি এত দামি?

দুবাইয়ের স্বর্ণ ব্যবসায় শতাধিক প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশিদের বিনিয়োগ
স্বর্ণের তৈরি অলঙ্কার ও দামি গহনার জন্য অনেকের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই। শহরের বিখ্যাত ‘গোল্ড সুক’ ঘিরে তাই প্রতিনিয়ত গড়ে উঠছে জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান। এ ব্যবসায় সেখানে অগ্রসর হচ্ছেন বাংলাদেশিরাও। বিগত পাঁচ বছর শতাধিক স্বর্ণের প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেছেন বাংলাদেশিরা। তবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, দামের ঊর্ধ্বগতি ও বাংলাদেশ সরকারের নীতিমালা পরিবর্তনে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা।

যতটা বিশাল ব্রিটিশ রাজপরিবারের গহনা সংগ্রহ!
রাজপরিবারের জৌলুস ফুটিয়ে তোলার অন্যতম মাধ্যম হীরায় মোড়ানো অলঙ্কার। ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে ব্রিটিশ রাজপরিবারের আভিজাত্য বহন করে আসা গহনা নিয়ে সাধারণের কৌতূহল মিটছে এবার। ১৯০২ সাল থেকে রাজপরিবারের বিভিন্ন সদস্যের গায়ে শোভা পেয়ে আসা অলঙ্কার নিয়ে লন্ডনে চলছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কার্টিয়ারের জমকালো প্রদর্শনী।