
বাড়িভাড়া-গ্যাস সংকটে বদলাচ্ছে ঢাকার ঠিকানা
রাজধানী জুড়েই বাড়ছে বাসা পরিবর্তনের প্রবণতা। বাড়তি বাড়িভাড়া, গ্যাসের সংকট এবং নতুন পে স্কেলের প্রভাব—সব মিলিয়ে অনেক পরিবারকে বদলাতে হচ্ছে দীর্ঘদিনের ঠিকানা। কেউ কম ভাড়ার বাসার খোঁজে ছুটছেন শহরের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। এতে বাড়ছে পরিবহন খরচ, সময় ও ভোগান্তি। ভাড়া বাড়ানোর এই রীতি বন্ধ করতে সরকারের ব্যবস্থাপনা জরুরী বলে মনে করছেন ক্যাব নেতৃবৃন্দরা।

গ্যাস সংকটে নাভিশ্বাস; বাড়ছে রান্নার খরচ
চলমান গ্যাস সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে আবাসিকের গ্রাহকরা। মাসের শেষে তিতাসের বিল গুনলেও মিলছে না পর্যাপ্ত গ্যাস। বাধ্য হয়ে বৈদ্যুতিক চুলা ও এলপিজিতে ঝুঁকছেন অনেকে। বাড়ছে সংসারের খরচ। সংকট থেকে উত্তরণে এলপিজির দাম কমানোর পাশাপাশি সঠিক লোড ম্যানেজমেন্টের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের। অন্যথায় শীতে আরও তীব্র হতে পারে সংকট।

আশুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ ও ‘জিয়া’ নামকরণের দাবিতে বিক্ষোভ
গ্যাস সংকটে প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ থাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সার কারখানায় দ্রুত গ্যাস সরবরাহ, আধুনিকায়নের মাধ্যমে উৎপাদন চালু এবং কারখানাটির পূর্বনাম ‘জিয়া সার কারখানা’ পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।

সিলেটে গ্যাস সংকটে ব্যাহত শিল্প উৎপাদন, দুশ্চিন্তায় উদ্যোক্তারা
লোডশেডিংয়ের পর এবার গ্যাস সংকটে ভুগছে সিলেটের শিল্পকারখানা। গ্যাসের চাপ কম থাকায় ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। উদ্যোক্তারা বলছেন, গ্যাস সংকটে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কমেছে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ। ব্যবসায়ী নেতাদের দাবি, শিল্পখাতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। এদিকে, এলএনজি সংকটের কারণে দ্রুত পুরোপুরি গ্যাস ও জ্বালানি সংকটের সমাধান সম্ভব না হলেও শিল্পের উৎপাদন যাতে ব্যাহত না হয়, সেজন্য সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী।

গ্যাস সংকটে বন্ধ ময়মনসিংহ পাওয়ার স্টেশন, প্রভাব পড়েছে উৎপাদন খাতে
গ্যাস সংকটে প্রায় এক মাস ধরে বন্ধ ২১০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ‘ময়মনসিংহ পাওয়ার স্টেশন’। বিদ্যুৎ খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড-আরপিসিএল'র উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রভাব পড়েছে দেশের বিদ্যুৎ খাতে। বিশেষ করে ময়মনসিংহ অঞ্চলে ব্যাপকহারে বেড়েছে লোডশেডিং। বেড়েছে ভোগান্তি, প্রভাব পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও উৎপাদন খাতে। তবে গ্যাস পেলেই বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে বলে জানান পাওয়ার স্টেশন কর্তৃপক্ষ।

‘গ্যাস সংকটে বন্ধ ৩০০ কারখানা, ক্ষতির আশঙ্কায় রপ্তানি শিল্প’
বিকেএমইএর সংবাদ সম্মেলন
গ্যাস সংকটে বন্ধ প্রায় ৩০০ কারখানা এবং এতে রপ্তানি শিল্পে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)। আজ (শনিবার, ২২ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় বিকেএমইএ ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সংগঠনটির নেতারা।

গ্যাস সংকটে নরসিংদীতে কমেছে শিল্প উৎপাদন
নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট তৈরি করছে বিদ্যুৎ ঘাটতি। এই অবস্থায় ভোগান্তিতে শিল্প ও পরিবহণ খাতের অন্তত আট লাখ মানুষ। প্রায় ৪০ শতাংশ উৎপাদন কমে যাওয়ায় কারখানাগুলোতে কমেছে লেনদেন।

গ্যাস সংকটে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সব ফিলিং স্টেশন বন্ধ, ভোগান্তিতে চালকরা
গ্যাস সংকটে বন্ধ রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সবকটি ফিলিং স্টেশন। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাত থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে পুরোপুরিভাবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহন চালকরা। কবে নাগাদ গ্যাস সরবরাহ চালু হবে সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষের কাছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তীব্র গ্যাস সংকট; প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাসাবাড়িতে তীব্র গ্যাস সংকটে বাড়ছে ভোগান্তি। এছাড়া সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও গ্যাস সংকটের কারণে দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস পাচ্ছেন না চালকরা। এতে করে তাদের রোজগারে টান পড়েছে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছুটা স্বস্তি মিললেও লোডশেডিং-গ্যাস সংকটে ব্যাহত জনজীবন
দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও, অধিকাংশ অঞ্চলে এখনো তীব্র লোডশেডিং ও গ্যাস সংকটে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। শিল্প-কারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তীব্র ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

আবারও রাজধানীতে গ্যাস সংকট; চুলা জ্বলছে না অনেক বাসায়
আবারও তীব্র গ্যাস সংকটে পড়েছে রাজধানী। বাসাবাড়িতে কমে গেছে গ্যাসের চাপ। কোথাও কোথাও দিনের বেশির ভাগ সময়ই জ্বলছে না চুলা। একই চিত্র সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও। গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে পরিবহনশ্রমিকদের। এতে রান্না থেকে শুরু করে যাতায়াত, সব ক্ষেত্রেই বাড়ছে ভোগান্তি।

ফেনীতে ফিলিং স্টেশনে স্বস্তি; আবাসিকে গ্যাস সংকট বহাল
টানা ছয় দিন ধরে তীব্র সংকটের পর ফেনীতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। এতে স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ গ্রাহক, সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে।