
১৭ ফেব্রুয়ারি সূর্যগ্রহণ, বাংলাদেশ থেকে কি দেখা যাবে?
মহাকাশ প্রেমীদের জন্য অধীর অপেক্ষার সময় ঘনিয়ে আসছে। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি আকাশে দেখা যাবে এক বিরল দৃশ্য— বলয়াকার সূর্যগ্রহণ (Annular Solar Eclipse)। জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘রিং অব ফায়ার’ (Ring of Fire) বলা হয়। চাঁদ যখন সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে এসেও সূর্যকে পুরোপুরি ঢাকতে পারে না, তখনই সূর্যের চারপাশে আগুনের বলয়ের মতো এই দৃশ্য তৈরি হয়।

সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোলে ১০ ট্রিলিয়ন সূর্যের উজ্জ্বলতার সমান দূরবর্তী তরঙ্গ রেকর্ড!
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোলের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং দূরবর্তী ব্ল্যাক হোল ফ্লেয়ার বা ব্ল্যাক হোল থেকে নির্গত বিশাল শক্তির ঝলকানি রেকর্ড করেছেন। যা সূর্যের চেয়ে ১০ ট্রিলিয়ন গুণ বেশি উজ্জ্বল। যা প্রায় ১০ ট্রিলিয়ন সূর্যের সম্মিলিত উজ্জ্বলতার সমান!

চলতি বছরের সবচেয়ে বড় সুপারমুন ‘বিভার’
চলতি বছরের সবচেয়ে বড় ও উজ্জ্বল চাঁদ বা সুপারমুন দেখা গেছে গত (বুধবার, ৫ নভেম্বর)। এ বছরের তিনটি সুপারমুনের মধ্যে এটি দ্বিতীয় এবং সবচেয়ে কাছের। যা ‘বিভার মুন’ নামে পরিচিত।

ভিনগ্রহের গোয়েন্দা যান? সূর্যের পথে ‘অ্যাটলাস’
গ্রহাণুর মতো দেখতে নতুন কোনো বস্তু শনাক্ত করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। হতে পারে ধূমকেতুও। বলা হচ্ছে, এর উৎস সৌরজগতের বাইরে। সত্যি হলে পৃথিবীর নক্ষত্রমণ্ডলে এটি তৃতীয় মহাজাগতিক অনুপ্রবেশের ঘটনা। সূর্যের দিকে ক্রমশ এগোচ্ছে বস্তুটি। হার্ভার্ড গবেষক এভি লোয়েবের দাবি, থার্টি ওয়ান অ্যাটলাস নামের এ বস্তুটি কোনো গোয়েন্দা অভিযানের লক্ষে তৈরি করেছে ভিনগ্রহের বাসিন্দারা।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ দেখলো ‘স্ট্রবেরি মুন’
ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গতকাল বুধবার (১১ জুন) রাতে দেখা গেলো ‘স্ট্রবেরি মুন’। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের দেয়া তথ্য বলছে, এটি মূলত জুন মাসের পূর্ণিমার চাঁদ। প্রায় ১৯ বছর পর পর মানুষ অনেক কাছ থেকে এটি দেখতে পায়।

আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর পৃথিবীতে আসছে মিনি মুন
পৃথিবীর মহাকর্ষীয় টানে কক্ষপথে দুই মাসের জন্য বাঁধা পড়বে একটি গ্রহাণু। পৃথিবী পাবে নতুন চাঁদ। বিশ্ববাসী মহাজাগতিক এই ঘটনার সাক্ষী হবে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর। তবে এই মিনি মুন দেখতে প্রয়োজন পড়বে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ব্যবহৃত টেলিস্কোপ।