
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রি স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র
ইরান যুদ্ধের জন্য নিজেদের গোলাবারুদের মজুত সুরক্ষিত রাখতে তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের নৌবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত সচিব হাং কাও এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গতকাল (বৃহস্পতিবার, ২১ মে) মার্কিন কংগ্রেসে এক শুনানিতে তাইওয়ানের জন্য ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের অপেক্ষমাণ অস্ত্র প্যাকেজ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, ‘এপিক ফিউরি’ বা ইরান যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিশ্চিত করতেই এ ‘পজ’ বা বিরতি দেয়া হয়েছে।

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রি স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র
ইরান যুদ্ধের জন্য নিজেদের গোলাবারুদের মজুত সুরক্ষিত রাখতে তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের নৌবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত সচিব হাং কাও এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার মার্কিন কংগ্রেসে এক শুনানিতে তাইওয়ানের জন্য ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের অপেক্ষমান অস্ত্র প্যাকেজ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, ‘এপিক ফিউরি’ বা ইরান যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিশ্চিত করতেই এই ‘পজ’ বা বিরতি দেয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসন যখন প্রয়োজন মনে করবে, তখনই আবার এই বিদেশি সামরিক সহায়তা কার্যক্রম শুরু হবে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

কিউবায় সামরিক অভিযানের হুমকি ট্রাম্পের; কূটনীতি নিয়ে সন্দিহান রুবিও
কিউবায় সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও। দ্বীপ রাষ্ট্রটির সাবেক নেতা রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অভিযোগ আনার একদিন পরই এই হুমকি এলো। ওভাল হাউসে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘গত ৫০-৬০ বছর ধরে অনেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট কিউবায় হস্তক্ষেপের কথা ভেবেছেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়তো তাকেই এটি করতে হবে।’ তিনি আরও জানান, জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় এমন পদক্ষেপ নিতে পারলে তিনি খুশিই হবেন।

বিদেশি অর্থ সহায়তা কার্যক্রম স্থগিত করছে ট্রাম্প প্রশাসন
বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশের দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই বিদেশি সব ধরনের অর্থ সহায়তা কার্যক্রম স্থগিত করে দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। ফাঁস হওয়া নথিতে বলা, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও বলেছেন, খাদ্য আর দুই দেশে সামরিক সহায়তা ছাড়া তিন মাসের জন্য স্থগিত হচ্ছে এই কার্যক্রম। অথচ ইউক্রেন ইস্যুকে কেন্দ্র করে ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র রপ্তানি অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।