পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও আলাদাভাবে সাংবাদিকদের জানান, কিউবার বর্তমান সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে কোনো সমাধানে পৌঁছানোর সম্ভাবনা খুবই কম। তিনি বলেন, ‘ট্রাম্প সবসময় শান্তিপূর্ণ এবং সমঝোতামূলক চুক্তিতে বিশ্বাসী হলেও কিউবার বর্তমান নেতৃত্বের সঙ্গে তেমন কিছু হওয়ার আশা দেখছেন না।’
রুবিও কিউবাকে দীর্ঘদিনের জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে বর্ণনা করেন। বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে কিউবার গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সম্পর্ক এবং লাতিন আমেরিকার অন্যান্য মার্কিন শত্রুদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাকে তিনি বড় হুমকি মনে করেন।
সম্প্রতি রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে ১৯৯৬ সালে বেসামরিক বিমান ভূপাতিত করার নির্দেশ দেয়ার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। কিউবার বর্তমান প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল একে সামরিক আগ্রাসনের অজুহাত তৈরির একটি ‘রাজনৈতিক কৌশল’ হিসেবে নিন্দা জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের ধারণা করছেন, ভেনেজুয়েলায় গত জানুয়ারিতে যেভাবে সামরিক অভিযান চালিয়ে নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করা হয়েছিল, কিউবার ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্র একই পথে হাঁটছে। ইতোমধ্যে ক্যারিবীয় সাগরে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস নিমিজ মোতায়েন করা হয়েছে, যা এই আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
কিউবার ওপর ট্রাম্প প্রশাসন ক্রমাগত নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়ে চলেছে। এরই মধ্যে কিউবান রেভল্যুশনারি আর্মড ফোর্সেস পরিচালিত ব্যবসায়িক গোষ্ঠী ‘গায়েসা’-র ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। রুবিও জানিয়েছেন, ওই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীর বোন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছিলেন, যার গ্রিন কার্ড বাতিল করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, কিউবার নেতৃত্ব যদি মার্কিন বিনিয়োগের জন্য তাদের অর্থনীতি উন্মুক্ত না করে এবং ওয়াশিংটনের শত্রুদের দেশ থেকে বের করে না দেয়, তবে তিনি সেখানে ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা ক্ষমতা পরিবর্তনের পথে হাঁটবেন।





