তিনি আরও জানান, প্রশাসন যখন প্রয়োজন মনে করবে, তখনই আবার এই বিদেশি সামরিক সহায়তা কার্যক্রম শুরু হবে। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। বর্তমানে দেশ দুটির মধ্যে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চললেও যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত তাইপের জন্য বড় একটি ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রিপাবলিকান সিনেটর মিচ ম্যাককনেল অস্ত্র বিক্রির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলে হাং কাও জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও এবং পেন্টাগনপ্রধান পিট হেগসেথ এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। অন্যদিকে, তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানিয়েছে, তারা এখন পর্যন্ত অস্ত্র বিক্রিতে পরিবর্তনের কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পায়নি।
এই ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এল যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন শেষ করেছেন। ওই বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যুটি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় ছিল।
সি চিন পিং সতর্ক করে বলেছেন, তাইওয়ান পরিস্থিতি সঠিকভাবে সামলানো না হলে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন সরাসরি সংঘাতের মুখে পড়তে পারে। এর আগে ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে তাইওয়ানের অস্ত্র প্যাকেজকে একটি ‘চমৎকার দর-কষাকষির হাতিয়ার’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন, যা তাইপের প্রতি ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের সমর্থনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নতুন করে সংশয় তৈরি করেছে।
ওয়াশিংটন দীর্ঘকাল ধরে তাইওয়ান ইস্যুতে একটি অস্পষ্ট অবস্থান বজায় রাখলেও ‘তাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্ট’ অনুযায়ী তারা দ্বীপ দেশটিকে আত্মরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সামরিক সরঞ্জাম দিতে বাধ্য। তবে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য এবং বেইজিংয়ের সঙ্গে তার আলোচনার ধরন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তিনি এ নীতিতে পরিবর্তন আনতে পারেন।
এদিকে, ট্রাম্প তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার পরিকল্পনা করছেন বলেও জানা গেছে। ১৯৭৯ সালের পর কোনো আসীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাইওয়ানের নেতার সঙ্গে কথা বলেননি। এমন পদক্ষেপ বেইজিংকে ক্ষুব্ধ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।





