কক্সবাজারের পর্যটন: ঈদ ঘিরে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত ব্যবসায়ীরা

কক্সবাজার
ঈদ ঘিরে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত ব্যবসায়ীরা
এখন জনপদে
ভ্রমণ ও পর্যটন
0

দেড় মাসের স্থবিরতা কাটিয়ে সুদিনের অপেক্ষায় কক্সবাজারের পর্যটন খাত। ঈদুল ফিতরের ছুটি ঘিরে পর্যটকদের বরণে সৈকতের শহরে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। ঈদের পরদিন থেকে কয়েক লাখ পর্যটকের সমাগম এবং শত কোটি টাকার বাণিজ্যের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রায় দেড় মাস ধরে অনেকটা পর্যটকশূন্য কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত। পর্যটকের কোলাহল নেই হোটেল-মোটেলে, একই অবস্থা পর্যটন নির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও। দীর্ঘ এই মন্দা কাটাতে আসন্ন ঈদের দিকে তাকিয়ে আছেন ব্যবসায়ীরা। ঈদুল ফিতরের পরদিন থেকে ব্যাপক পর্যটক সমাগমের আশায় হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোতে চলছে ধোয়া-মোছা ও শেষ মুহূর্তের সংস্কার কাজ।

সৈকতের ঘোড়াওয়ালা, ছাতা-চেয়ার মালিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও এখন মুখিয়ে আছেন পর্যটকদের বরণে।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে একজন বলেন, ‘ভালো আশা করছি, রমজানে তো লোকজন ছিল না। ঈদের পর পর্যটক ভালো আসলে আমাদের ব্যবসা ভালো হবে।’

এরইমধ্যে বড় বড় হোটেলগুলোর প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন:

হোটেল দ্য কক্স টুডের এজিএম আবু তালেব শাহ বলেন, ‘২৩ ও ২৪ তারিখে যে সরকারি ছুটি না থাকার কারণে কারণে কিন্তু অনেকাংশে পর্যটক কমে যাচ্ছে। আমি আসা করছি এই দুই দিনেও যদি পর্যটকদের আসার আগ্রহ হয় তাহলে কক্সবাজারে একটা আমেজ বিরাজ করবে।’

বৃহত্তর বীচ ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রহমান বলেন, ‘রমজান শেষে আমরা ব্যবসায়ী মালিক সমিতি প্রস্তুতি নিয়েছি, যেন ঈদের দিন থেকেই পর্যটকদের গ্রহণ করতে পারি। ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত হোটেল বুকিং হয়েছে। আশা করছি শতভাগ বুকিং হয়ে যাবে।’

এদিকে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অতিরিক্ত ভাড়া বা হয়রানি রোধে কঠোর অবস্থানের আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিকদের দেয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাদুল আলম বলেন, ‘আমরা আলাদা করে আইনশৃঙ্খলা মিটিংও করেছি, পর্যটকদের আগমন উপলক্ষে। হোটেল-মোটেল মালিকদের সঙ্গে সভা করেছি। আমরা কাজ ভাগ ভাগ করে নিয়েছি।’

ঈদের ছুটিতে আবারও মুখর হয়ে উঠবে পর্যটন নগরী কক্সবাজার। আর এর মাধ্যমেই স্থবির হয়ে পড়া এই খাতে বইবে সুবাতাস—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট সকলের।

এসএস