ঈদকে সামনে রেখে রাজশাহীতে কোরবানির পশুর পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। গ্রাম থেকে শহর সবখানেই এখন খামারিদের ব্যস্ততা।
রাজশাহীতে ছোট বড় খামার আছে ২৬ হাজার ২৩৪টি। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে বেচাকেনা। খামার থেকে গরু কিনে ব্যাপারীরা তা নিয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।
একজন খামারি বলেন, ‘কেজি যদি ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা আমরা এ কুরবানিতে যদি না পাই, তাহলে আমরা খামারিরা মানে লসে পাতে হবে।’
আরও পড়ুন
এদিকে, জমজমাট হতে শুরু করেছে উত্তরের সর্ববৃহৎ সিটি হাটসহ স্থানীয় পশুর হাটগুলো। গরু তো সব জায়গা থেকে আসে। রাজশাহী, বাগমারা, পাবনা, কুষ্টিয়া, যশোর থেকে সব জাতের গরু আসে বলে জানান খামারিরা।
রাজশাহী জেলাতেই চলতি বছরে এক হাজার কোটি টাকা গবাদিপশু বেচাকেনা হবে বলে আশা করছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ। ভারতীয় গরুর প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বাড়তি সতর্কতা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা।
রাজশাহী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আতোয়ার রহমান বলেন, ‘প্রতিবছর যে লাভবান হয়, এ কারণেই কিন্তু আমাদের খামারিরা প্রতিবছর এ গরু লালন-পালনে কুরবানির জন্য যোগ্য করে তোলার উৎসাহিত পদ— উৎসাহিত হন। এর পিছনের কারণটা হচ্ছে, একটা সময় আপনারা জানেন যে ভারত থেকে গরু আসতো। এতে খামারিরা লোকসানের মুখে পড়তো। সেই আশা করি সেই ধারা আর ফিরবে না এবং বর্তমান সরকার আরও বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে এবার।’
জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর রাজশাহী জেলাতে গবাদি পশু মজুত আছে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ১১টি। যেখানে গরুর সংখ্যা ১ লাখ ৪ হাজার ৮৪১টি, মহিষ ৩ হাজার ৪২৫টি, ছাগল- ৩ লাখ ১১ হাজার ৩৩৯টি, ভেড়া ৪৩ হাজার ৪০৬টি।
রাজশাহীতে এ বছর গবাদি পশুর চাহিদা ৩ লাখ ৫১ হাজার ৫৮ টি। উদ্বৃত্ত থাকছে ৯০ হাজারের অধিক পশু।





