আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রায়ের পর পলাতক শেখ হাসিনাকে কিভাবে দেশে ফেরানো হবে তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।
আজ (রোববার, ৮ নভেম্বর) বিচারিক কার্যক্রমে শুদ্ধাচার শীর্ষক এক কর্মশালা শেষে আইনমন্ত্রী জানালেন, সরকারের আশা বন্দী বিনিময় চুক্তির আওতায়ই শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে ভারত সরকার।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমার কাছে উনি (শেখ হাসিনা) অপরাধী, আমার রাষ্ট্রের কাছে। ওপেন আদালতে বিচার হয়েছে। আনার জন্য যে ডিউ প্রসেস, রিকোয়েস্ট পাঠানোর দরকার আমরা সেটা পাঠিয়েছি।’
এর আগে, কর্মশালায় আইনমন্ত্রী অভিযোগ করেন, যখন বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম করা হয়েছিলো, তখন পাশে দাঁড়ায়নি বিচারবিভাগ। বলেন, বিচার বিভাগের বেশি ক্ষতি করেছে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি। এসময়, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা বিচারকদের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স অবস্থানের কথা তুলে ধরেন তিনি।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আছে, তাদের ব্যাপারে সরকার এবং আমাদের প্রধান বিচারপতি জিরো টলারেন্স দেয়ার চেষ্টা করছেন। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে যখন ধ্বংস করে দিয়ে ফ্যাসিস্টের দিকে বাংলাদেশকে ধাবিত করার প্রক্রিয়া সুপ্রিম কোর্ট থেকে চালু করা হয়, আমি বলব না এটা ফাইনান্সিয়াল করাপশনের বাই প্রোডাক্ট ছিলো।’
অনুষ্ঠানে, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বিচার ব্যবস্থার সুফল পেতে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠার কোন বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, ‘কোনো প্রকার দলীয় বা রাজনৈতিক বা আর্থিক প্রভাবের ঊর্ধ্বে থেকে আইনের শাসনের যে মূলনীতি সেটি বাস্তবায়নের জন্য একইভাবে জুডিশিয়াল ইন্ট্রিগেটি বিশ্বাসটা অপরিহার্য। বিচারকগণ যদি কোনো প্রকার রাজনৈতিক প্রভাবের ঊর্ধ্বে থেকে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন তবেই সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়।’
বিচার বিভাগে, সততা ও শুদ্ধতার চর্চার ওপরও জোর দেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক।




