প্রায় দুই হাজার ৫০০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের সিরাজগঞ্জে সাড়ে ৩৩ লাখ মানুষের বসবাস। সবশেষ পরিসংখ্যানে এ জেলায় পুরুষের তুলনায় বেড়েছে নারীর সংখ্যা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন প্রায় ২৭ লাখ ভোটার। যার অর্ধেকই নারী। তার চান নারীবান্ধব একটি সরকার।
নারী উদ্যোক্তাদের মধ্যে একজন বলেন, ‘আমরা চাই একজন নারী বান্ধব বা একজন উদ্যোক্তাবান্ধব সরকার। যারা উদ্যোক্তাদের কথা চিন্তা করবে। শুধু প্রতিশ্রুতি না, আমাদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয়, সেগুলো আমরা চাই।’
আরও পড়ুন:
অন্য একজন বলেন, ‘আমাদের অনুদানের খুব দরকার। দেশ-বিদেশে মেলার দরকার। আমাদের সামনে যারা আসবেন তাদের এ বিষয়গুলো মাথায় রাখা দরকার আছে।’
অভ্যুত্থান পরবর্তী নির্বাচন হওয়ায় নতুন ভোটারদের মাঝেও রয়েছে নির্বাচনি আমেজ। নতুন নারী ভোটাররা সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগের পাশাপাশি নারীর অধিকার আদায়ে জনপ্রতিনিধিদের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চান।
নারী ভোটাদের মধ্যে একজন বলেন, ‘নারী অধিকার সম্পর্কে তারা যে কথাগুলো বলে বা নির্বাচনের আগে তারা প্রচারণায় যে কথাগুলো বলে যে, আমরা এটা করবো ওটা করবো, তারা যেন অবশ্যই সে কাজগুলো করে। নারীদের বিষয়ে অবশ্যই গুরুত্ব সহকারে ভাবা উচিত।’
আরও পড়ুন:
নারীর অধিকার আদায়ে প্রয়োজন নারী নেতৃত্বের। আর এ নেতৃত্ব তৈরি করতে গণমুখী শিক্ষার প্রসার দরকার বলে জানান নাগরিক সমাজ।
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক লায়লা ফেরদৌস হিমেল বলেন, ‘নারী নেতৃত্ব তৈরি না হলে নারীদের কথা সেভাবে আমলে নেয়া হবে কি না, এটাতে সন্দেহ থেকে যায়। রুট লেভেল থেকে চেষ্টা করতে হবে যে, কর্মী তৈরি করা।’ গণমুখী শিক্ষার প্রবর্তন করতেই হবে। শিক্ষা ব্যবস্থাটা আসলেই ধ্বংসপ্রাপ্ত আমাদের দেশের এ সময়ে। এ শিক্ষা ব্যবস্থাকে সুন্দরভাবে বিনির্মাণ করতে হবে।’
নারীর সম অধিকার নিশ্চিত করতে হলে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজন দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন- বলছেন সংশ্লিষ্টরা।





