চাঁপাইনবাবগঞ্জ আদালতের মালখানায় লুটপাট হয় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। ভাঙচুর চালিয়ে লুট হয় ৭০টি আগ্নেয়াস্ত্র, শত শত রাউন্ড গুলি। এছাড়া বিভিন্ন মামলার জব্দকৃত মাদকদ্রব্য, মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপসহ আনুমানিক ৬০ কোটি টাকারও বেশি দামের আলামত লুট করা হয়।
এসব আগ্নেয়াস্ত্র দেড় বছরেও উদ্ধার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। লুট হওয়া এসব অস্ত্র দীর্ঘদিনেও উদ্ধার না হওয়ায় এখন ভাবিয়ে তুলেছে ভোটারদের।
স্থানীয়রা জানান, লুট হওয়া অস্ত্রগুলো এতো দিনেও প্রশাসন উদ্ধার করতে পারেনি। সামনে নির্বাচন, লুট হওয়া অস্ত্র দিয়ে অপরাধীরা যে কোনো কিছু করতে পারে।
আরও পড়ুন:
লুটপাট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র দুর্বৃত্তরা ব্যবহার করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে পারে। দ্রুত অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র উদ্ধারের দাবি মানবাধিকার কর্মীদের। এদিকে, লুটপাট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র নির্বাচনে ব্যবহারের আশঙ্কা নেই বলছে পুলিশ। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানায় তারা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোহা. মোজাজ্জেম হোসেন মেহেদী বলেন, ‘যে কোনো মুহূর্তে, যে কোনো সময় সুস্থ পরিবেশকে অস্থিতিশীল করতে পারে অপরাধীরা। ভয়াবহতা ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হতে পারে এ লুট হওয়া অস্ত্রের মাধ্যমে।’
চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, ‘গোয়েন্দা তথ্য আছে। আমরা সেটা নিয়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। কয়েকটি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আশাকরছি নিরাপত্তা ঝুঁকি এখন পর্যন্ত নাই।’
নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করতে দ্রুত অভিযান চালিয়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি স্থানীয়দের।





