রাজনৈতিক বৈষম্যের কারণে এতদিন উন্নয়ন বঞ্চিত ছিলো বগুড়া। মহানগরে উন্নীত করার ৮টি শর্ত পূরণ করেছে পৌরসভা। সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তার শহর পরিদর্শন শেষে গত ডিসেম্বরে সিটি করপোরেশন ঘোষণার আশ্বাস পেলেও এখনো বাস্তবায়ন হয়নি তা। ফলে নানা দূর্ভোগ নিয়ে বসবাস করতে হচ্ছে পৌরবাসীকে।
শহরের সড়ক, ড্রেনেজ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অবস্থা নাজুক। দেশের অন্যান্য পৌরসভার মতো সমান বাজেট থাকায় বৃহৎ বগুড়া পৌরসভায় কাজ হয়েছে সীমিত। সিটি করপোরেশন হলে বাজেট ও বরাদ্দ বৃদ্ধির সঙ্গে নাগরিক সুবিধাও নিশ্চিত হবে বলে সিটি করপোরেশন বাস্তবায়ন চান পৌরবাসী।
স্থানীয়রা জানান, বগুড়াকে সিটি করপোরেশন ঘোষণা করা হোক। আর শহর উন্নয়নেও নজর দেয়া উচিত বলে মনে করেন তারা।
আরও পড়ুন:
বগুড়া পৌরসভার কলেবর বড় এবং বাজেট সীমিত থাকায় উন্নয়ন বঞ্চিত পৌরবাসী। সিটি করপোরেশন হওয়ার পর বরাদ্দ বাড়বে এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত হবে বলে জানান পৌর প্রশাসক।
অন্যদিকে, সিটি করপোরেশন বাস্তবায়ন নিয়ে জেলা প্রশাসক বলছেন, মাঝখানে জাতীয় নির্বাচন থাকায় বাস্তবায়নের কাজ আগায়নি। দ্রুত সময়ের মধ্যে বগুড়া সিটি করপোরেশন বাস্তবায়ন হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং পৌর প্রশাসকের উপ-পরিচালক রাজিয়া সুলতানা বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের মতো জায়গা আছে বগুড়ার। বিগত সময় এখানে উন্নয়ন পিছিয়ে ছিলো। আমরা আশাকরি সিটি করপোরেশন হলে আগের চেয়ে ভালো সুযোগ সুবিধা দেয়া যাবে জনগণকে।’
বগুড়া জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, ‘ডিসেম্বর মাসে এখানে ভিজিট করে গিয়েছেন সম্ভাব্যতা যাচাই করার জন্য। নির্বাচনের কারণে এ কার্যক্রম কিছুটা বন্ধ ছিলো। এখন তো নতুন সরকার এসেছে আশা করি কাজের অগ্রগতি দেখা যাবে।’
৭০ বর্গ কিলোমিটারের বগুড়া পৌরসভা আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে দেশের অন্যতম বৃহৎ পৌরসভা। এখানে অন্তত ১০ লাখ নাগরিকের বাস।





