এর আগে, গতকাল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে মোট ২২ জনকে আটক করার কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসময় দেশি বিদেশি ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২৭টি পাইপগান, ৩০টি পিস্তলের ম্যাগজিন, ৫৭টি অস্ত্র তৈরির পাইপসহ বিপুল পরিমাণ গুলি, কার্তুজ, ককটেল, সিসিটিভি, পাওয়ার বক্স, ডিভিআরাহ বাইনোকুলার জব্দ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, জঙ্গল সলিমপুরের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা পালিয়েছে তবে তাদের আস্তানা ধ্বংস করা হয়েছে। তারা আর টিকতে পারবে না বলেও হুঁশিয়ারি করেছেন তারা। প্রাথমিকভাবে এ অভিযানে বৃহৎ একটি অঞ্চলে সন্ত্রাসীদের হটিয়ে প্রশাসনের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করাকেই সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ধরতে নিয়মিত অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানানো হয়।
অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে তিনটি মামলা দায়ের করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকালই আটক করা হয়েছে ২২ জনকে। তবে সলিমপুরের ত্রাস হিসেবে পরিচিত রাঘববোয়ালরা রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, পলাতক থাকলেও টিকতে পারবে না সন্ত্রাসীরা।
অভিযানের পর সলিমপুরের এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে অস্থায়ী ক্যাম্পে পুলিশ ও এপিবিএন এর ১৩০ জন এবং আলী নগর উচ্চ বিদ্যালয়ে আরআরএফ, এপিবিএন এবং র্যাব ৭ এর ২৩০ জন সদস্য মোতায়েন রয়েছে।





