রাঙামাটিতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত; দেশ-মুসলিম উম্মাহর জন্য শান্তি কামনা

রাঙামাটিতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত
এখন জনপদে
0

রাঙামাটিতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। একইসঙ্গে ফিলিস্তিন ও ইরানসহ মুসলিম দেশগুলোতে চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধের নিন্দা, প্রতিবাদ ও বিচার দাবি করে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

রাঙামাটি জেলার প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় শহরের বনরূপা আদালত ভবন প্রাঙ্গণে- সকাল ৭.৪৫ মিনিটে। জামাত পড়ান বাইতুল আমান জামে মসজিদের ইমাম মৌলানা আশহাদুল ইসলাম।

এতে রাঙামাটি চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন হিরু, রাঙামাটি পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন, জেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম পনির, জেলা জামায়াতের আমির আবদুল আলীম ও সেক্রেটারি মনছুরুল হক এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতারাসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন।

এছাড়া জেলা শহরের ১০টি স্থানে মোট ১৫টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে পাঁচটি স্থানে দু’টি করে ১০টি জামাত এবং অন্য পাঁচটি স্থানে একটি করে জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৭টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত নির্দিষ্ট বিরতি দিয়ে এসব ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলাসহ রাঙামাটি জেলার ১০ উপজেলায় ২০৪টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ২২টি খোলা মাঠে এবং ১৮২টি মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আরও পড়ুন:

রাঙামাটি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমীন বলেন, ‘আমাদের আহ্বান থাকবে যে, রাঙামাটিতে বসবাসকারী সব ধর্মের বর্ণের মানুষ শান্তি সম্প্রীতি এবং সৌহার্দ্য নিয়ে বসবাস করবে। আমরা চাই যে, এই পার্বত্য জনপদের প্রতিটি মানুষ একজন আরেকজনের কল্যাণে কাজ করুক। সম্প্রীতি নিয়ে বসবাস করুক। ভালোবাসা নিয়ে বসবাস করুক। আমাদের বন্ধনটা হোক আত্মার বন্ধন। আমরা এটাই প্রত্যাশা করি।’

বনরূপা আদালত ভবন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ঈদ জামাতের ইমাম মৌলানা আশহাদুল ইসলাম বলেন, ‘আল্লাহর নির্ধারিত নিয়ম এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (স.) প্রদর্শিত পথ অনুসরণ করে দুনিয়া এবং আখেরাতে সফল হতে মোনাজাত করেছি। দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়েছে। ফিলিস্তিন ও ইরানসহ মুসলিম দেশগুলোতে চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধের নিন্দা, প্রতিবাদ ও বিচার দাবি করে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।’

ঈদের জামাত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ঈদগাহ, মসজিদ এবং মুসল্লিদের নিরাপত্তায় পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয় জেলা পুলিশ।

রাঙামাটি পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব জানিয়েছেন, সব জায়গায় পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এবং টহল পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

এসএস